চিকিৎসকদের নিবিড় পরিচর্যা ও একান্ত মনোযোগী সেবায় ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে মাগুরায় মায়ের গর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশুটির অবস্থা। বিশেষ ব্যবস্থায় তাকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে।
মা-শিশুকে দেখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাদেরকে সরকারি খরচে চিকিৎসা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অঙ্গীকার করেছেন দুই মন্ত্রী।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বোর্ডের সদস্য ও শিশু সার্জারী বিভাগের চিকিৎসক ডা: কানিজ হাসিনা জানন, যদিও এখনো শিশুটি আশঙ্কামুক্ত নয়, অপরিণত অবস্থায় জরুরি অস্ত্রোপচারের সাহায্যে জন্ম নেয়া শিশুটির বয়স ও শারীরিক অবস্থার কারণে দেশের বাইরের নেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বাচ্চাটির যে অবস্থা, তার প্রেক্ষিতে সবটুকু চিকিৎসাই আমরা এখানে দিতে পারছি। এই মূহুর্তে বাচ্চাটিকে দেশের বাইরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে চোখের সমস্যার জন্য ভবিষ্যতে তাকে বিদেশে নিতে হবে।
কানিজ হাসিনা আরো বলেন, চোখের ডাক্তাররা এখনো কিছু বলতে পারছে না, তারা আরো এক সপ্তাহ পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সব জানাতে পারবে।
সকালে মা শিশুকে দেখতে গিয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী জানান, নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স এর কথা জানান।
তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর একটাই কথা দোষী ব্যক্তি যেই হোক না কেনো সে দিকে না তাকিয়ে আইন আওতায় এনে সঠিক বিচারের ব্যবস্থা করা।
এর পর পর মা-শিশুকে দেখতে হাসপাতালে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।
হাসপাতালে তাদের দেখে এসে তিনি বলেন, তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আশা করি। সঠিক সেবা ও চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রয়াসের জন্য তাদের সাধুবাদ জানায় মন্ত্রী।
দোষী ব্যক্তিদের সবোর্চ্চ সাজা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
চিকিৎসকরা বলছেন, আরো পরে শিশুটির ডান চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো যেতে পারে।
শিশুটির সর্বোচ্চ চিকিৎসার মধ্যেই মামলার প্রধান আসামি সেন সুমনসহ তিনজনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। ওই আবেদনের শুনানি হবে রোববার।






