মেহেরপুরের চুড়াডাঙ্গা সড়কের শেষ প্রান্তে ১৯৮৯ সালে ১০ একর এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠে সরকারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার। সরকারের লক্ষ ছিলো খামারে উৎপন্ন দেশী-বিদেশী জাতের মাছের রেণু সগ্রহ করা। এবং সেই পোনা চাষীদের মাঝে সরবরাহ করা এবং চাষীদের মিশ্র মাছ চাষে পরামর্শ দেওয়া।
তবে বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে যায় এ মৎস্য বীজ উৎপাদন কার্যক্রম। স্থানীয় একজন জানায়, মাছ চাষ যারা করে যদি রেণুর পোনার খরচটা একটু কম হতো তাহলে তারা লাভবান হতে পারতো।
অন্য একজন মাৎস্য চাষী বলেন, আমার বিভিন্ন জায়গা থেকে এ রেণু নিয়ে আসি। এটা যদি মেহেরপুরে হয় তবে খুব উপকার হতো।
চাষীদের অাশা এই মৎস্য বীজ খামারটি চালু হলে কমে যাবে মাছ উৎপাদন খরচ। আশার কথা, এই প্রকল্পটি এই বছরেই চালু হবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য বিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মেসবাহুল হক বলেন, আমাদের যা টার্গেট ছিলো আশা সেটা পূরণ হয়েছে। আশাকরি উৎপাদন বাড়বে।
তিনি আরো বলেন, আমরা প্রায়ই এখানে প্রশিক্ষণ দেই। হ্যাচারীটি পরিপূর্ণভাবে চালু হবে। তথন এ এলাকায় যে চাহিদা আছে তার অনেকটাই এ হ্যাচারী থেকে পুরণ হবে।
এই খামারটি পুনরায় চালু হলে তা এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ণে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন চাষী ও এলাকাবাসী।






