যশোরের ভোটের মাঠে জোর প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির জয় নিশ্চিত জেনে বিএনপি খেই হারিয়ে ফেলছে বলে দাবি করেছে যশোর জেলা আওয়ামী লীগ। আর বিএনপি বলছে, সুষ্ঠু ভোট হলে ৬টি পৌরসভার সবগুলোতেই জিতবে তারা।
প্রচন্ড শীত উপক্ষো করে সারি সারি পোস্টারের সঙ্গে আকর্ষনীয় ভাষায় মাইকিং চলছে। সব কিছু মিলিয়ে ভোটের উৎসবে মুখরিত এখন দক্ষিণের ট্রানজিট যশোর সদর পৌরসভা।
মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি রাত দিন গণসংযোগে ব্যস্ত কাউন্সিলর প্রার্থীরা। কাউন্সিলর প্রার্থীদের দলীয় প্রতিক না থাকলেও গণসংযোগে মুলত দলীয় পরিচয়টাই প্রাধান্য পাচ্ছে। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী সবাই।
কাউন্সিলর প্রার্থী জানান, ১৯৯৯ সালে ও ২০০৪ সালে নির্বাচিত হন তিনি। এবারও নির্বাচিত হলে এলাকার সবরকম উন্নয়ন জন্য কাজ করবেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ না থাকায় বিএনপি প্রার্থীদের সঙ্গে প্রচারনায় আছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা।
মাঠে না থাকলেও যশোর জেলার ৬ পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের দেখভাল করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। তার দাবি নির্বাচনে বিএনপিকে জল ঘোলা করতে দেওয়া হবে না।
যশোর সদর পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ভাতিজা মারুফুল ইসলাম। আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদারের চাচাতো ভাই জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু। ১০ দিন পর যশোরের এক লাখ ৩২ হাজার ভোটার বেছে নেবেন তাদের পৌর পিতা।






