এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে বিভিন্ন অভিযোগ ও মামলায় ১৭৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আর ৪৫১ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে ১৭৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদের মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন স্থান ছাড়াও জেলার ১৮টি থানার আওতাধীন যেসব এলাকায় বখাটেদের উৎপাতের অভিযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লায় উঠতি বয়সী কিশোরদের মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান পিপিএমের নির্দেশে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লার উঠতি বয়সী শিশুরা মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এ কারণে তাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সতর্ক করা হচ্ছে।
এদিকে কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে দাউদকান্দি থানায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিওতে থানায় হামলার দৃশ্য দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার বিষয়টি আলোচনায় আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কুমিল্লার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এই ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।









