বিশ্বকাপের পর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরে যেতে পারেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে পর্তুগালের হয়ে ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত করার সিদ্ধান্তই নিয়েছেন সিআর সেভেন। বৃহস্পতিবার লিসবনে ওয়েলসের বিপক্ষে ২৩৪তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে নাববেন। কোচ হোর্হে জেসাস নিশ্চিত করেছেন, মহাতারকা নেশনস লিগের ম্যাচে শুরু থেকে খেলবেন। রোনালদোর প্রথম ক্লাব স্পোর্টিংয়ের হোম গ্রাউন্ড হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচ মহাতারকার আন্তর্জাতিক বিদায়ের মঞ্চ হতে পারে, এমন ফিসফাসও ছিল। এদিকে ম্যাচের আগেরদিন অবসর প্রসঙ্গে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী বলেছেন, ‘যখন মনে হবে, আমি এখানে আর কিছুই করছি না, তখন।’ বিশ্বকাপের পর পর্তুগাল ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন কিনা, এমন প্রশ্নে ৪২ বর্ষী ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘হ্যাঁ, ভেবেছিলাম। অবশ্যই, সবসময় আমার সিদ্ধান্ত, ভবিষ্যৎ এবং বর্তমান নিয়ে ভাবি। আমি চিন্তাশীল মানুষ। এ কারণেই আমাকে এখন এখানে দেখছেন। এর মানে হল, চালিয়ে যাব। আমাদের সভাপতি ও কোচের সাথে কথা হয়েছে। বিশ্বাস করি, জাতীয় দলকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারব এবং তখনই অবসর নেব, যখন মনে হবে এখানে আমার আর কোন ভূমিকা নেই। শুধু গোলের মাধ্যমে নয়, ফুটবলের বাইরেও জাতীয় দলকে আমার সমর্থন দিতে পারি। এটি একটি নতুন তরুণ প্রজন্ম। আমার কাছে মূল বিষয় হল, মাঠে গোল করতে পারা এবং জিততে সাহায্য করা।’ পর্তুগালের শীর্ষস্থানীয় এক সংবাদপত্র ওয়েলস ম্যাচের আগে পাঠকদের দল বেছে নিতে আমন্ত্রণ জানিয়ে জরিপ করেছে।জরিপে রোনালদো প্রথম একাদশে জায়গা করে নিতে পারেননি। রোনালদো বলেছেন, ‘বাড়িতে বন্ধুদের সাথে প্রায়ই এই কথা বলি। এত বছর ফুটবল খেলছি, কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সবখানে সাদরে গৃহীত হয়েছি। আমার মনে হয় পর্তুগিজ ভক্তরা আমাকে পছন্দ করে, কিন্তু এটাও বুঝি কিছু টিভি চ্যানেল আমার সমালোচনা করতে চায়। তারা আমাকে শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করেছে, তবে শুধু শটগান দিয়ে। তারা চাইছে যেন আর জাতীয় দলে না আসি, কিন্তু এখনও এখান থেকে সরে যেতে পারি। যাইহোক, আমি এতে অভ্যস্ত। ২০ বছরেরও বেশি ধরে এই কাজ করে আসছি, আমার স্মৃতিগুলো তাদের সাথেই জড়িত যারা আমাকে ভালোবাসে।’









