এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরের জন্য নতুন করে ১০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। এর মধ্যে ৮ কোটি ডলার মানবিক সহায়তা এবং বাকি ২ কোটি ডলার উন্নয়ন ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই সহায়তার ঘোষণা দেন।
কার্নি বলেন, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা ধরে রাখার লক্ষ্যেই এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। গাজায় ফিলিস্তিনিরা ব্যাপক মানবিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে ইসরায়েলিরা হামাস এবং ইরান ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে অস্তিত্বগত হুমকির মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।
কানাডার নতুন সহায়তার একটি অংশ পশ্চিম তীরে নিরাপত্তা কার্যক্রমে ব্যয় হবে। এর মধ্যে পশ্চিম তীরে পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের জন্য চলমান একটি বহুবর্ষী প্রকল্পে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হবে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য কানাডা ৬০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এদিকে চলতি সপ্তাহে কানাডার পার্লামেন্টে উপস্থাপিত নতুন নথিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডে কানাডার অর্থায়নে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ত্রাণ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।
চলতি মাসের শুরুতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেয় কানাডা। বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতাকে এ সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কার্নি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের প্রস্তাবিত ই১ বসতি স্থাপনেরও সমালোচনা করেন। সমালোচকদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
কার্নি বলেন, ফিলিস্তিনিদের জন্য কানাডার এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা ধরে রাখা।









