আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) পুরো প্রতিষ্ঠান এবং এর সঙ্গে সহযোগিতা করা সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শিগগিরই এ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
আইসিসি যেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ দেশটির নেতাদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে, সে বিষয়ে চাপ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এরই মধ্যে আইসিসির কয়েকজন বিচারক ও কৌঁসুলির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।
এবার পুরো আদালত এবং এর সঙ্গে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে আইসিসির কার্যক্রম গুরুতরভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আদালটির রেজিস্ট্রার ও প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, এর ফলে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ও বিমা কেনা, তদন্তকারী নিয়োগ এবং দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনও ব্যাহত হতে পারে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন কর্মীর বেতন পরিশোধও রয়েছে।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতির খবর প্রকাশ করে।
দুটি নথি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে ছয় থেকে সাত মাসের একটি সময়সীমা দেওয়া হতে পারে। এরপর আইসিসির সঙ্গে অধিকাংশ ধরনের লেনদেন নিষিদ্ধ করা হবে।
মার্কিন কর্মকর্তারা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানিয়েছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন চলতি সপ্তাহেই এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে পারে।
আইসিসি নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক আদালত, যা গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের মতো গুরুতর অপরাধের বিচার করে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য আইসিসির সদস্য নয়।









