চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্ক উভয়ের জাতীয় স্বার্থেই মঙ্গলজনক

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া by মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া
5:04 অপরাহ্ন 19, সেপ্টেম্বর 2026
in মতামত
A A
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি তথা রাশিয়া-ইউক্রেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের ফলে খাদ্যশস্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব পড়েছে তার ফলে বিশ্বের সকল দেশের অর্থনীতিতে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। উপরন্তু বিভিন্ন দেশের রফতানি পণ্যে অর্থাৎ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আমদানির ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্কারোপ তথা বাণিজ্য যুদ্ধ বিশ্ব বাণিজ্যকে অস্থির করে তুলেছে।

যদিও আমেরিকার সুপ্রীম কোর্ট ট্রাম্পের একতরফা শুল্কারোপ বাতিল করেছে, তথাপি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পুণরায় উপর্যুপরি শুল্কারোপের মাধ্যমে বাণিজ্য যুদ্ধের পথেই হাটছেন।

সার্বিকভাবে বিশ্ব অর্থনীতি মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন হ্রাস ও সরবরাহ চেইন বিপর্যয় এবং জনগণের কর্মসংস্থান হারানোর মতো পরিস্থিতির মাধ্যমে মন্দার দিকে ধাবিত হলেও কয়েকটি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তেমন খারাপ হয়নি, বরং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস ও রফতানি সম্প্রসারণ তথা সঠিক অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। চীন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া এদের মধ্যে অগ্রগণ্য।

ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ব্যতীত বাংলাদেশ তিন দিক থেকে ভারতবেষ্টিত। ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমা চার হাজার ছিয়ানব্বই কিলোমিটার।

চীনের পর ভারতের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি। গত ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলনে বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলতে থাকে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সাথে ভারতের এমন বৈরী সম্পর্ক ইতিপূর্বে দেখা যায়নি।

২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের উদ্যোগ নিলেও ভারতের সরকার ও তাদের কতিপয় গণমাধ্যম জানিয়ে দেয় যে, বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে তারা ঐ সরকারের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করবে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়লাভ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করলে নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পীকার ওম বিরলা অংশগ্রহণ করেন। তিনি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লেখা একটি চিঠিও হস্তান্তর করেন। এর পরবর্তী সময়ে ভারত সরকারের নানা কার্যক্রম ও পদক্ষেপ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

ভারতের একজন রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করেছে। তিনি ইতোমধ্যে ভারতে ভিজিট ও চিকিৎসা সংক্রান্ত ভিসা চালু করেছেন এবং বন্ধ হয়ে থাকা বিভিন্ন অর্থনৈতিক, ব্যবসা ও রাজনৈতিক করিডোর পর্যায়ক্রমে চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীবর্গের সাথে সাক্ষাৎ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

ভারতের সাথে বাংলাদেশের যেসব বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা, কিংবা বিরোধ বা মতপার্থক্য রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহের পানি বণ্টন, অনাকাঙ্ক্ষিত সীমান্ত হত্যা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পারস্পরিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, চাকরি, পর্যটন, চিকিৎসা ইত্যাদি কারণে উভয় দেশের জনগণের অস্থায়ী অভিবাসন, পরস্পরের সমুদ্র ও বিমানবন্দর ব্যবহার, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি রাজ্যে যাতায়াত ও পরিবহনে বাংলাদেশের করিডর ব্যবহার, নেপাল কিংবা ভুটানে বাংলাদেশের মালামাল পরিবহনে ভারতের যোগাযোগ অবকাঠামো ব্যবহার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানি ইত্যাদি। এই পারস্পরিক নির্ভরতার তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

এ অবস্থায় বর্তমান সাময়িক উত্তেজনা প্রশমন করে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কীভাবে পরিচালিত হলে আমাদের জাতীয় স্বার্থ দীর্ঘমেয়াদে ভালভাবে সুরক্ষিত হবে, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

আমাদের এমন এক কৌশলগত পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করতে হবে যাতে প্রতিবেশীর সাথে আমাদের সম্পর্ক নষ্ট না হয়, যা অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

বিভিন্ন কারণে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও তা প্রশমন করে বাস্তব সমস্যাসমূহ নিরসনের দিকে দৃষ্টি দেওয়াই এ মুহূর্তের আশু করণীয়। সেজন্য দু’দেশের মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলাপ-আলোচনার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পারস্পরিক যোগাযোগ, সফর ও সংলাপ যে কোনো সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারে।

আমার পূর্ববর্তী একটি নিবন্ধে উল্লেখ করেছিলাম যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের পর এখন ভারত সফর করা প্রয়োজন। দায়িত্ব নেওয়ার পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানান। ভারতীয় একটি দায়িত্বশীল সুত্র জানায় যে আগস্টের প্রথম দিকেই ভারতের পক্ষ থেকে এ আমন্ত্রণের পুনরাবৃত্তি হয়। একই সময়ে ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের সম্প্রসারিত অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্যও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই এবার বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট সফরের পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর এবং ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সফর দুটি হয়নি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফরের না যাওয়ার অজুহাত হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গত ৫ই আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে ভার্চুয়াল অংশগ্রহণ এবং বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে (প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেন নয়) আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার পরপরই তাকে ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়। ভারত সরকার সেটি আইনানুগ বিবেচনার কথা বলে।

প্রশ্ন হচ্ছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি কি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পূর্বশর্ত হবে, কিংবা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দাওয়াত না দেওয়াকে কি প্রধানমন্ত্রীকে ‘অসম্মান’ জানানোর অজুহাত হিসেবে ধরা হবে তা গভীরভাবে বিবেচনার বিষয়। শেখ হাসিনা ও তার দলীয় নেতৃবৃন্দের ভারতে অবস্থান বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনা। কারণ এটির সমাধান এ মুহূর্তে বাংলাদেশের হাতে নেই। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়নের সাথে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ জড়িত।

১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এর নবায়ন কিংবা নতুন চুক্তি করতে হবে। তাছাড়া তিস্তা-সহ আরো অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টনও দীর্ঘদিনের অমিমাংসিত ইস্যু হয়েই আছে। স্থল সীমান্ত পথে আমদানি-রফতানি বন্ধ ও উভয় দেশের বন্দর ব্যবহারে জটিলতার কারণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য কমেছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ।

অবশ্য বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের অংশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা প্রদান, সীমান্ত হত্যা কমিয়ে আনা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ চালু রেখেছে। বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশই ভারত থেকে আমদানি, আমাদের রফতানি মাত্র ১৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধির জন্য বাড়তি বাজার প্রবেশাধিকার, ২০২৫ সালে আরোপিত স্থলবন্দর-ভিত্তিক বাণিজ্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় ভারত একটি বিকল্প উৎস হতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পের কাঁচামাল, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল এবং পরিবহনের গাড়ির যন্ত্রাংশের অপেক্ষাকৃত সহজ ও সস্তা উৎস হলো ভারত।

গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের সাথে সম্পাদিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির পর আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের আমদানি বেড়েছে। খাদ্যশস্য, জ্বালানি, তুলা, ডেইরি প্রোডাক্ট যা-ই হোক না কেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি মূল্য বেশি, পরিবহন সময় সাপেক্ষ ও খরচ বেশি পড়ে। এর চাপ পড়বে দেশের ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের ওপর।

কোনো নির্দিষ্ট দেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্কের শর্ত যদি অন্য দেশের সাথে লাভজনক বাণিজ্য হ্রাস করে, তবে সে নীতি জনকল্যাণমুখী হতে পারেনা। এ যাবতকাল বাংলাদেশের কোনো বাণিজ্য বা পারস্পরিক সম্পর্ক শর্তের বেড়াজালে আবদ্ধ ছিল না। তাছাড়া নতুন বন্ধুত্ব গড়ে তোলার জন্য পুরনো কার্যকর সম্পর্ক ভেঙে ফেলার কোনো অর্থনৈতিক যুক্তি নেই।

সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারোর সাথে শত্রুতা নয় এটিই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি। বিএনপি’র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির সাথে এ যাবতকাল অনুসৃত পররাষ্ট্রনীতির কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই। ইতোপূর্বের সকল সরকারই পররাষ্ট্রনীতি হিসাবে এটি পরিপালন করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত লেখালেখিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়িষ্ণু অর্থনৈতিক পরিস্থিতির আভাস দিচ্ছে। প্রায় চল্লিশ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি, জনসাধারণের জীবনমানের অবনতি, গ্লোবাল সাউথ রাষ্ট্রসমূহের ডি-ডলারাইজেশন পলিসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য কমিয়ে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে বিবেচনা করতে হবে, জাতীয় স্বার্থে কোনো রাষ্ট্রের সাথে জোটভুক্ত বা অতিনির্ভরশীল না হয়ে সকলের সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখা।

বাংলাদেশের সরকার প্রধানের ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফর বিলম্বিতকরণ ও ব্রিকস সম্মেলনে যোগদান না করার ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল মহলের বক্তব্য ও আচরণ অকূটনৈতিকসুলভ ও অবিবেচনাপ্রসূত বলে অনেকে মনে করেন, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়নে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমাদের জাতীয় স্বার্থের জন্য অপরিহার্য। এ বিষয়টি আমাদের সরকার যত শীঘ্র অনুধাবন করতে পারবে ততই মঙ্গল। তবে নতজানু কোনো পররাষ্ট্রনীতি নয়, বরং নিজের আত্বমর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে বাস্তবমুখী নীতি অবলম্বন করতে হবে। রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকলে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও পারস্পরিক অন্যান্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্কে এর প্রভাব পড়া স্বাভাবিক। প্রতিবেশী বদলায়না, প্রতিবেশীর সাথে পারস্পরিক সুসম্পর্ক উভয়ের জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন।

ভারত প্রশ্নে বাংলাদেশের নীতি হওয়া উচিত ভারতের প্রতি নতজানু আনুগত্য নয়, আবার অহেতুক বিরোধিতাও নয়। শেখ হাসিনা ও সাজাপ্রাপ্ত তার দলীয় অনুসারীদের বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের দাবি থেকে সরে আসা নয়, বা এটিকে কঠোর পূর্বশর্ত হিসেবে গণ্য করাও কূটনৈতিকভাবে বুদ্ধিমানের কাজ নয়, বরং শীর্ষ পর্যায়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে প্রত্যর্পণসহ সকল অমীমাংসিত ইস্যুর নিষ্পত্তি জরুরী। ভারত বিরোধিতা কোনো সস্তা জনপ্রিয়তার বিষয় নয়, বরং আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে বাংলাদেশ অমীমাংসিত সমস্যাসমূহের কতটুকু নিষ্পত্তি করতে পারে তাই আমাদের অর্জন।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আইয়ের সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Previous Post

মেট্রোরেলের পেছনে খরচ আড়াই লাখ কোটি, আয় দিয়ে ঋণ শোধ সম্ভব?

Next Post

জুবিনকে হারানোর এক বছর, গার্গের সুরে মুখর আসাম

Next Post

জুবিনকে হারানোর এক বছর, গার্গের সুরে মুখর আসাম

২০ বছর পর নাইকি ছাড়লেন এমবাপে, চুক্তি করলেন ফেদেরারের ব্র্যান্ডে

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
info@channelionline.com
online@channeli.tv (Online)
news@channeli.tv (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT