বছরের পর বছর বুন্দেসলিগায় একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়ে চলেছে বায়ার্ন মিউনিখ। নতুন মৌসুমে দ্বিতীয় ম্যাচেই খেল হোঁচট। দ্বিতীয় স্তর থেকে আসা শালকের বিপক্ষে করেছে গোলশূন্য ড্র। তাতে নানান বিপত্তি ঘটেছে বাভারিয়ানদের সাথে।
বুন্দেসলিগায় প্রায় ১৮ মাস পর গোল করতে পারল না বায়ার্ন। শালকে গোলরক্ষক লরিস কারিয়াসের একের পর এক দুর্দান্ত সেভের মুখে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিতে হয়েছে তাদের। জার্মান চ্যাম্পিয়নদের ঘরোয়া লিগে টানা ৪৭ ম্যাচে গোল করার ধারা থেমেছে তাতে। সর্বশেষ লিগ ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিল সেই ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বেয়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে ০-০ গোলে ড্র ম্যাচে।
২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বুন্দেসলিগায় রেকর্ড গড়ে টানা ৮৭ ম্যাচে গোল করেছিল ক্লাবটি। ২০২৫ সালের জুলাইতে ক্লাব বিশ্বকাপে পিএসজির কাছে ২-০ গোলে হারের পর থেকে বায়ার্ন প্রতিটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করেছে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৯ ম্যাচে গোল করার পর প্রথমবার গোলশূন্য থাকল ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা।
২০১৭ সালের পর বায়ার্নের বিপক্ষে শালকের এটি প্রথম পয়েন্ট। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের পর প্রথমবার বায়ার্ন বুন্দেসলিগা টেবিলে শীর্ষে নেই। শনিবার রাতের ড্রয়ে টানা ৬৭ রাউন্ড ধরে প্রথম স্থানে থাকার ধারায় অবসান ঘটেছে বাভারিয়ানদের।
লিগে দুই ম্যাচে ১ জয় ও ১ ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে বায়ার্ন। ২ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফ্রেইবুর্গ। একই সমীকরণে দুইয়ে ডর্টমুন্ড এবং তিনে প্রথমবার বুন্দেসলিগায় উত্তীর্ণ হওয়া এলভার্সবার্গ।
শালকের সাথে ড্রয়ের পর বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেছেন, ‘আমাদের ভালো সুযোগ ও বড় সুযোগ এসেছিল। গোলরক্ষকের সাথে আমাদের দুই তিনটি ওয়ান অন ওয়ান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যখন একটি জমাট, আক্রমণাত্মক এবং দক্ষ দলের বিপক্ষে খেলেন, সেই মুহূর্তেই গোল করা প্রয়োজন। সুযোগের দিক থেকে আমরা ম্যাচ জিততে পারতাম, কিন্তু এটাই ফুটবল।’









