সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে নির্বাচিত হওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে ‘ইয়েস কার্ড’ দেওয়ার প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন Miss Earth Bangladesh-এর National Director এবং ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মলি আক্তার।
‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ সিজন-২’ এর দ্বিতীয় অডিশন রাউন্ডে নির্বাচিত প্রতিযোগীদের হাতে ‘ইয়েস কার্ড’-এর পরিবর্তে তুলে দেওয়া হয় নিমগাছের চারা। সৌন্দর্যের মঞ্চের সঙ্গে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা যুক্ত করতেই এ উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকরা।
মলি আক্তারের মতে, সৌন্দর্য শুধু বাহ্যিক আকর্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্বের গুণ এবং সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধও একজন নারীর সৌন্দর্যের অংশ।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অডিশনে শতাধিক প্রতিযোগীর মধ্য থেকে দুই ক্যাটাগরিতে প্রায় ৫০ জন এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের মধ্য থেকে ২০ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এদিকে প্রতিযোগিতার মিস ক্যাটাগরির বিজয়ী Miss Earth 2026-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতায় মুকুটের পাশাপাশি একটি গাছের চারা তুলে দেওয়ার এই উদ্যোগ তাই প্রতিযোগীদের ব্যক্তিগত অর্জনের সঙ্গে পরিবেশ ও সামাজিক দায়িত্ববোধের নতুন বার্তা যুক্ত করেছে।
মলি আক্তার ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর। পাশাপাশি তিনি Miss Earth Bangladesh-এর National Director হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নারীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের বিকাশের পাশাপাশি পরিবেশ ও সামাজিক দায়িত্ববোধের বিষয়টিও সামনে আনতে কাজ করছেন তিনি।








