২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে স্পেন খেলোয়াড়দের সাথে মাঠে হাতাহাতিতে জড়িয়েছিলেন আর্জেন্টিনার কয়েকজন। যাদের অন্যতম ছিলেন লিয়েন্দ্রো পারেদেস ও নাহুয়েল মোলিনা। ঘটনার জেরে আর্জেন্টিনাকে বড় জরিমানার পাশাপাশি পারেদেসকে ১০ এবং মোলিনাকে ৭ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করল ফিফা।
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের জয়ের পর মারামারিতে জড়ান পারেদেস। আর্জেন্টিনা মিডফিল্ডার স্পেনের গ্যাভিকে মাটিতে ফেলে দেন। একই সময় স্পেন অধিনায়ক রদ্রিকে আঘাত করেন মোলিনা। সেসময় পারেদেস এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন।
আক্রমণাত্মক ছিলেন ও হাতাহাতিতে জড়ান আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাও। তাকে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফিফা সেসময় নিশ্চিত করেছিল, মাঠে পারেদেসকে কোন লাল কার্ড দেখানো হয়নি।
ফাইনালের পরের দিন, ফিফা একটি শৃঙ্খলা তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি জানায় পুরো ঘটনা জুড়ে পারেদেসরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। ফলে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানার দিতে হচ্ছে।
ফিফা শৃঙ্খলাবিধির ১৩ নং অনুচ্ছেদের ২(গ) ধারা (ক্রীড়া ইভেন্টে অক্রীড়াসুলভ প্রদর্শন), ১৪ নং অনুচ্ছেদের ৫ ধারা (দলের অসদাচরণ), ১৫ নং অনুচ্ছেদ (সমর্থকদের বৈষম্যমূলক স্লোগান ও অঙ্গভঙ্গির কারণে বৈষম্য এবং বর্ণবাদী গালিগালাজ), এবং ১৭ নং অনুচ্ছেদ (ম্যাচে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা) লঙ্ঘনের জন্য আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ৩ লাখ ২১ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
সঙ্গে পারেদেস ও মোলিনাকে ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, আয়ালাকে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করেছে ফিফা। আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদাকে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাসহ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা ও স্পেনের গ্যাভিকে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ৩০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে।









