সরকারের পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে ১০ কেজি করে ভিজিএফের চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও জেলার বিভিন্ন স্থানে চাউল দেওয়া হচ্ছে ৭-৮ কেজি করে। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জলর কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নে আশরাফুল আলম কনক চেয়ারম্যান চাউল কম দিয়ে ৩৪ বস্তা চাউল অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সয়ম সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে। ইটনা উপজেলায়ও ১২৮ বস্তা চাউল জব্দ করা হয়। এসব চাউল চুরির সাথে যেসব চেয়ারম্যান কিংবা মেম্বাররা জড়িত তাদেরকো অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার কর্শা কড়িয়াইল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে গণঅধিকার পরিষদ কর্শা কড়িয়াইল ও দানাপাঠুলি ইউনিয়ন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর দেশে গুম খুন চালিয়েছে, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষের উপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। যার ফলেই কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এই দেশের মানুষ রাজপথে নেমেছিল। আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে আওয়ামী লীগ। সেই আওয়ামী লীগকে এই দেশের জনগণ ৫ই আগস্ট নিষিদ্ধ করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাত মাস পেরিয়ে গেলেও আওয়ামী লীগ কে অফিসিয়ালি নিষিদ্ধ করতে না পারা এই সরকারের ব্যর্থতা। আওয়ামী লীগকে এই দেশের মানুষ রাজনীতি করতে দিবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৭ মাস পেরিয়ে গেছে। এখনও জুলাই গণহত্যার বিচার করতে পারে নাই।
তিনি বলেন, বিভিন্ন ভাবে আওয়ামী লীগ কে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হচ্ছে। যারাই আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধেই আমরা রাস্তায় নামবো। আমরা বেঁচে থাকতে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ফিরতে পারবে না। গণহত্যায় জড়িত থাকা আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে। অফিসিয়ালি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত গণঅধিকার পরিষদ রাজপথে থাকবে। গণঅধিকার পরিষদ এই দেশের মানুষ কে সাথে নিয়ে সম্প্রতির রাজনীতি করতে চায়। আমরা সমাজে কেন বিভেদ চাই না। সমাজের সকল মতের মানুষ কে নিয়ে একসাথে সুন্দর বাংলাদেশ বিনিমার্ণ করতে চাই। আপনাদের প্রতি আহবান তরুণদের এই রাজনৈতিক দলকে সমর্থন আমরা আপনাদের সাথে নিয়ে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।’’
ইফতার মাহফিলে গণঅধিকার পরিষদ কর্শা কড়িয়াইল ইউনিয়নের আহবায়ক মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলার সদস্য সচিব মোস্তফা আল মামুনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, গণঅধিকার পরিষদের কিশোরগঞ্জ জেলার সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলার আহ্বায়ক মোমিন উদ্দিন জনি, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পায়েল চৌধুরী, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহাগ মিয়া, দানাপাটুলী ইউনিয়নের নেতা আনিসুর রহমান আরমান, আকরাম হোসাইন, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।









