তিন স্লিপ। শর্টকাভার। শর্ট-মিডঅফ। শর্ট-পয়েন্ট। যাদবকে আক্রমণে রেখে কোহলি এভাবে ঘিরে ধরলেন রিয়াদ-সাকিবকে। আরেক প্রান্ত থেকে জাদেজাকে দিয়ে শর্টলেগ আর লেগ স্লিপে দুজনকে রেখে বল করালেন। বাংলাদেশের কেউ এমন ফিল্ডিং পজিশনকে কাউন্টার করতে পারলেন না। বরং ধুঁকতে ধুঁকতে প্রায় সবাই একাধিকবার ব্যাটের কানায় বল লাগালেন! পরিণতিতে মধ্যবিরতির আগেই তিন উইকেট নেই। শুক্রবার শেষ বিকেলে ফিরে গেছেন সৌম্য। তবে সাকিব-মুশফিকে ভরসা জাগছে। লাঞ্চ থেকে ফিরেই অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন সাকিব।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ১৫৫ রান তুলেছে। সাকিব ৫১ রানে, উইকেটে তার সঙ্গী মুশফিকের নামের পাশে ১৪!
ব্যাট হাতে কোহলি ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে অর্ধেক ছিটকে দেন। ফিল্ডিংয়ে নেমে আক্রমণাত্মক ছকে বাংলাদেশকে চেপে ধরেছেন। যে পিচে স্বাগতিকরা হেসেখেলে রান তুলেছেন, সেখানে রিয়াদ, মুমিনুলরা বল ব্যাটে নিতে হিমশিম খেয়েছেন।
শনিবার শুরুতে দুই রান নিতে যেয়ে মুমিনুল মাঝপথে থেমে যান। তামিমও ততক্ষণে ক্রিজ ছাড়া। দুজনে আবার ছুটলেও তামিমের দেরি হয়ে যায়। ফেরার আগে ৫৩ বলে ২৫ রান তার। পরে মুমিনুলও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। যাদবের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরের পথ ধরেন। যাওয়ার আগে করতে পারেন ১২।
এরপর ধুঁকতে থাকা রিয়াদ (২৮) ইশান্ত’র বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন।
শুক্রবার শেষ বিকেলে সৌম্য ফিরে যান ব্যক্তিগত ১৫ রানে। ভারত গতকাল ৬৪৭ রান করে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। বাংলাদেশ ১৪ ওভার ব্যাট করে সৌম্যর উইকেট হারিয়ে ৪১ রান সংগ্রহ করেছিল।









