কক্সবাজারে উখিয়া উপজেলায় রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে ‘আলোচিত ফাইভ মার্ডারের’ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
গ্রেপ্তাররা হলো- উখিয়া উপজেলার ঘোনারপাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের ডি-৪ ব্লকের কালা মিয়ার ছেলে রশিদ মিয়া (৫২), একই আশ্রয় শিবিরের সি-৬ ব্লকের আবু কালামের ছেলে আজমত উল্লাহ (২৩); সি-১২ ব্লকের গোলাম শরীফের ছেলে মো. শাকের (২৫); তানজিমারখোলা ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের জি-২ ব্লকের আব্দুল গনির ছেলে আবু তালেব (৩২) ও একই আশ্রয় শিবিরের জি-৫ ব্লকের জমির হোসেনের ছেলে মো. ইয়াছিন (২৬)।
এর আগে শনিবারের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ৬ জনকে।
রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৮ এপিবিএন এর সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ জানান, শনিবার মধ্যরাত থেকে রোববার (৯ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের তানজিমারখোলা ১৩ নম্বর ও ঘোনারপাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে উখিয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
শুক্রবার ভোরে উখিয়া উপজেলার বালুখালী ৮-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা ও আরএসও এর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরসা’র ৫ জন দুষ্কৃতিকারী নিহত হয়।
এএসপি ফারুক বলেন, শুক্রবার ভোরে উখিয়া উপজেলার ৮-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে সংঘটিত আলোচিত ফাইভ মার্ডারের ঘটনায় জড়িত কতিপয় দুষ্কৃতিকারী কয়েকটি স্থানে অবস্থান করার খবর পায় পুলিশ। পরে এপিবিএন পুলিশসহ বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে উখিয়ার তানজিমারখোলা ১৩ নম্বর এবং ঘোনারপাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির থেকে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে সংঘটিত ফাইভ মার্ডারের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫ জনকে রোবরার সন্ধ্যায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে শনিবারের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬ জনকে।
ওসি জানান, আলোচিত ফাইভ মার্ডারের ঘটনায় নিহতদের স্বজনরা থানায় এখনো লিখিত এজাহার জমা দেননি। স্বজনদের কাছ এজাহার পাওয়া না গেলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবে।









