ভারতের অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর দ্য ক্রিয়েটিভ অ্যান্ড দ্য ক্রিটিক্যাল’ এবং যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যালিওল কলেজ যৌথভাবে ইংরেজিতে অনূদিত বিশ্বের সেরা সৃজনশীল নন-ফিকশনের জন্য ১০ হাজার পাউন্ডের একটি নতুন আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রখ্যাত লেখক বেদ মেহতার স্মরণে ও তার সম্মানে এই ‘দ্য বেদ মেহতা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ইন ক্রিয়েটিভ নন-ফিকশন’ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রতি বছর পূর্ববর্তী বছরে ইংরেজিতে (অনুবাদ সহ) প্রকাশিত সেরা সৃজনশীল নন-ফিকশন বইয়ের বিজয়ী লেখককে নগদ ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার প্রদান করা হবে। যদি কোনো অনূদিত বই নির্বাচিত হয়, তবে অনুবাদকও ২ হাজার পাউন্ড পুরস্কার পাবেন।
প্রথম পুরস্কারটি ২০২৬ সালে ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি বইয়ের জন্য প্রদান করা হবে। সংক্ষিপ্ত তালিকা সেপ্টেম্বরে এবং পুরস্কার নভেম্বরে ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি ব্যালিওল এবং অশোকায় পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে।
অশোকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যালিওল কলেজ কর্তৃক গঠিত একটি আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ড দ্বারা নির্বাচিত তিনজন বিচারকের একটি প্যানেল এই পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই বছরের জুরিতে রয়েছেন অধ্যাপক মেরভে এমরে ও শেমাস পেরি এবং পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী লেখক ও শিক্ষাবিদ বিজয় শেষাদ্রি।
এই পুরস্কারের উদ্দেশ্য হলো নন-ফিকশন লেখার আরও সৃজনশীল রূপগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং সৃজনশীল নন-ফিকশনে বিভিন্ন ধারার সীমানা সম্প্রসারণকে সম্মান জানানো। এর মধ্যে স্মৃতিকথা ও আত্মজীবনী, ঐতিহাসিক, দার্শনিক ও ধর্মতাত্ত্বিকদের প্রতিকৃতি, সমালোচনা, ভ্রমণকাহিনী এবং রাজনৈতিক ভাষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যদিও এই বিভাগগুলো সীমাবদ্ধ নয়, তবুও সবগুলোই বিবেচিত হতে পারে।
বেদ মেহতা (১৯৩৪-২০২১) ছিলেন সৃজনশীল নন-ফিকশনের বিভিন্ন ধারার একজন পথিকৃৎ, যার মধ্যে স্মৃতিকথা ও আত্মজীবনী থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক, দার্শনিক ও ধর্মতাত্ত্বিকদের প্রতিকৃতি, সেইসাথে সমালোচনা ও রাজনৈতিক ভাষ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল।









