সংশয় ও জটিলতা কাটিয়ে চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনা অভিনীত ‘মেঘকন্যা’ আজ (শুক্রবার) দেশের ৮টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। এই শুক্রবার নায়ক, মাতাল এবং আসমানী মুক্তি পাবার কথা থাকলেও সেগুলো মুক্তি পায়নি।
ঢাকায় মাত্র দু’টি সিনেমা হলে চলছে ‘মেঘকন্যা’। একটি ঐহিত্যবাহী সিনেমা হল মধুমিতা এবং অন্যটি শাহীন।
ছবির প্রযোজক জাহাঙ্গীর কবির চ্যানেল আই অনলাইনকে খবরটি জানিয়েছেন।
চ্যানেল আই অনলাইনকে জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ঢাকায় ২টি এবং ঢাকার বাইরে ৬টি সিনেমা হল পেয়েছে ‘মেঘকন্যা’। ময়মনসিংহের ছায়াবানী, খুলনার শঙ্খ, মানিকগঞ্জের নবীন, মুক্তাগাছার মুন, শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিকা এবং ফরিদপুরের বনলতা সিনেমা হলে চলছে ‘মেঘনক্যা’।
ছবির মানের তুলনায় কম হল পেয়েছে ‘মেঘকন্যা’। বিষয়টি নিয়ে প্রযোজক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ছবি মুক্তি দিয়েছি। দর্শকের উচিত হলে গিয়ে একবার হলে ছবিটি দেখা।
ঢাকার মধুমিতা সিনেমা হলে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুক্রবার মর্নিং শো-তে দর্শকের উপস্থিতি বেশ ভালো ছিল।
মধুমিতা সিনেমা হলের ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, শাকিব খান বাদে অন্যদের ছবির দর্শক মর্নিং শো তে টেনেটুনে ১০০ জন হয়। সেখানে ‘মেঘকন্যা’ দেখেছেন প্রায় ২০০ জন দর্শক।
তিনি আরও বলেন, মর্নিং শো-তে ছবি আমি নিজে দেখেছি। এর গান এবং গল্প দুটোই ভালো লেগেছে। অনেকদিন পর ফেরদৌসের ছবি এসেছে মধুমিতায়। বিকেল ও সন্ধ্যার শোতে দর্শকদের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করছি।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে ৮টি হলে মেঘকন্যার বুকিং হয়েছে, চাইলে আরও কিছু হলে ছবি দিতে পারতেন বলে জানিয়েছেন প্রযোজক। কিন্তু যেসব হলে দর্শক ছবি দেখবে না সেখানে দিয়ে লাভ নেই বলে মনে করেন জাহাঙ্গীর কবির ।
তিনি বলেন, আমার ছবির সবকিছুই ভালো। প্রথম সপ্তাহে কম হল পেলেও দ্বিতীয় সপ্তাহে দর্শকদের চাহিদায় হল বাড়বে বলে আমি বিশ্বাস করি।
মিনহাজ অভি’র পরিচালনায় ফেরদৌস-নিঝুম রুবিনা ছাড়াও ‘মেঘকন্যা’ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন মুনমুন, সুচরিতা, শম্পা হাসনাইন, ঋদ্ধ প্রমুখ। ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান।









