প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, বিদেশগামী কর্মীদের হয়রানি, প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগের দায়ে ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি ভিজিলেন্স টাস্কফোর্স রিক্রুটিং এজেন্সির কার্যক্রম নজরদারি করে থাকে। বর্তমানে সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিদেশে কোনো কর্মী প্রেরণ করতে পারে না। সরকারের পাশাপাশি কেবল অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্টসমূহ বিদেশে কর্মী প্রেরণ করতে পারে। তবে কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকারের বিএমইটির ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক।
সরকারি দলের সদস্য মমতাজ বেগমের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৬৫ দেশে বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৬ সালে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা ছিল সাতলাখ ৫৭ হাজার ৭৩১ জন। ২০১৭ সালে তা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮ হাজার ৫২৫ জনে। এছাড়া চলতি বছর এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে মন্ত্রী জানান।
সরকারি দলের সদস্য বেগম উম্মে রাজিয়া কাজলের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ অব্যাহত রয়েছে। ২০১৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজার ৮১৯ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন। সরকার বিদেশে কর্মী প্রেরণের উদ্দেশে বহুমুখী শ্রম কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৮টি থেকে ৭০টিতে উন্নীত করেছে বলে জানান।
সরকার গৃহকর্ম পেশায় সৌদি আরবে কর্মী প্রেরণে আরবি ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিএমইটির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে বলে ফখরুল আলম মুন্সীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান।








