উদ্বোধনী জুটির শতরানে বিশাল সংগ্রহের আশা জাগলেও অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ধসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চতুর্থ টি-টুয়েন্টিতে দেড়শ ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ। ১১ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০০ রান তোলার পর সবার চোখ ছিল দুইশর দিকে। তখনই নাটকীয়তার শুরু। ১০০/০ থেকে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ১৪৩/১০।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপত্তির শুরু ওপেনিং জুটি ভাঙার পর। ৩৭ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে তানজিদ হাসান তামিম ফেরার পর ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি আর কেউ। ৩৪ বলে ৪১ রান করে সৌম্য সরকার ফেরেন লুক জঙ্গুইয়ের ওই ওভারেই।
তাওহীদ হৃদয় ১২ রান করে ফেরেন সিকান্দার রাজার শিকার হয়ে। টপঅর্ডারের তিন ব্যাটার ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি কেউ। ৪২ রানে শেষের ১০ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। রেকর্ড গড়া ওপেনিং জুটি বিচ্ছিন্ন হয় ১০১ রানে।
অফস্পিনার ব্রায়ান ব্যানেট জোড়া শিকারের দেখা পান। সাকিব আল হাসান (১) ও নাজমুল হোসেন শান্তকে (২) বোল্ড করেন। আর কেউই হাল ধরতে পারেননি। ইনিংসের এক বল আগেই ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
শুক্রবার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি স্বস্তি এনে দিলেও বাকিরা করেছেন চরম হতাশ।
আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের শতরানের জুটি ছিল মোটে দুটি। শুক্রবার তানজিদ-সৌম্যর জুটিটি দেশের হয়ে তৃতীয় শতক।
গতবছর চট্টগ্রামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে লিটন দাস ও রনি তালুকদার মিলে গড়েন ১২৪ রানের জুটি। যেটি ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ।
শতকের মুখ দেখার আগেই ভাঙতে পারত ওপেনিং জুটি। দলীয় ৮৭ রানে লং-অফে তানজিদের সহজ ক্যাচ ছাড়েন ফারাজ আকরাম। ইনিংসের দশম ওভারটি করছিলেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।









