ফরচুনের তালিকায় শীর্ষ ৫০ প্রভাবশালী নেতার তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম। কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার এ অর্জনে দেশের বাইরে দেশের মুখ আরো উজ্বল হয়েছে। তবে জাতীয় নেতৃত্বে তার নিরঙ্কুশ অবস্থান দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির অস্থিরতার কোনো সুরাহা আনবে না বলেও মন্তব্য তাদের।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবির বলেন, এটি অবশ্যই দেশের উন্নয়নের একটি উপাদান, কিন্তু এটাই সবকিছু নয়। তালিকা হতেই পারে। কিন্তু তার আগে আমাদের দেশের নানান কাজকর্ম নিয়ে চিন্তা করতে হবে। এটাই সবকিছু নয়।
তালিকায় অবস্থানের পাশাপাশি অন্যান্য যে কাজগুলো আছে সেগুলোই এখন করতে হবে বলে মনে করেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক শান্তনু মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন তালিকায় অবস্থান পাওয়া শুধু তার ব্যাক্তিগত অর্জন নয়, বলা যায় এটি পুরো বাংলাদেশের অর্জন।
‘বাংলাদেশ এখন সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশের তালিকা থেকে নিজেদের নাম তুলে ফেলতে পেরেছে। সেই অবস্থা থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি অন্তত। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করছে। আগে বাংলাদেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করতো। তাদের বক্তব্য হতো অনেকটাই বুঁদবুঁদের মতো। বলতে না বলতেই মিলিয়ে যেতো। এখন বাংলাদেশের নিজের মতামত প্রকাশের মতো অবস্থান তৈরি হয়েছে।’
‘এখন বাংলাদেশ নিজেদের বক্তব্য প্রদান করছে। এখন অন্যান্য দেশগুলো আমাদের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে শোনে,’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এই শিক্ষকের মতে, আন্তর্জাতিক নানান ফোরামে বাংলাদেশের সরব উপস্থিতি দেখা যায় এখন। তবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির যে অস্থিরতা টের পাওয়া যায় এর মাধ্যমে সেটার সুরাহা হওয়া সম্ভব না বলেই তিনি মনে করেন।
শান্তনু মজুমদার বলেন, সেজন্য আরো বেশি কাজ চালিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরও একইরকম মনে করছেন।






