অধিনায়ক হিসেবে সাকিব আল হাসানের আরেকটি অধ্যায় শুরু হওয়ার দিন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টি-টুয়েন্টিতে টস হেরে আগে বল করছে বাংলাদেশ।
২০০৯ সালেই টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের অধিনায়কত্ব করেন সাকিব। সে বছর ২ আগস্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টি-টুয়েন্টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছিলেন তিনি। টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়কত্বের প্রথম ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেলেও টি-টুয়েন্টিতে নেতা হিসেবে এখনো জয়ের মুখ দেখেননি সাকিব।
৯টি টেস্টে অধিনায়কত্ব করে ১টিতে জয় পেয়েছেন, বাকিগুলোতে হেরেছেন। ওয়ানডেতে অধিনায়কত্ব করেছেন ৫০টি ম্যাচে। এর মধ্যে জয় ২৩টিতে, হার ২৬টিতে।
এই সফরে ৩৩৩ রানে প্রথম টেস্ট এবং ইনিংস ও ২৫৪ রানে দ্বিতীয় টেস্ট হারে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতেও হার বিশাল ব্যবধানে। ১০ উইকেটে হার দিয়ে শুরু, পরের দুই ম্যাচে ১০৪ ও ২০০ রানে পরাজয়।
এই সফর থেকেই তিন ধরণের ক্রিকেটে আলাদা-আলাদা অধিনায়ক পেল বাংলাদেশ। মাশরাফী-মুশফিকের নেতৃত্বে বাজেভাবে হারার পর, সাকিবের দিকে তাকিয়ে দেশ।
অবসর নেওয়ায় টি-টুয়েন্টিতে নেই মাশরাফী। চোটের জন্য নেই তামিম ইকবাল ও মোস্তাফিজুর রহমান। পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনকে নিয়ে বাংলাদেশ এদিন চার পেসার খেলাচ্ছে।
বাংলাদেশ দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
সাউথ আফ্রিকা: জেপি ডুমিনি (অধিনায়ক) , হাশিম আমলা, ফারহান বেহারদিয়েন, কুইন্টন ডি কক, এবি ডি ভিলিয়ার্স, রবি ফ্রাইলিংক, বিউরান হেনড্রিকস, ডেভিড মিলার, ডেন প্যাটারসন, অ্যারন ফ্যাঙ্গিসো, অ্যান্ডিলে ফেলুকোও।









