ধরা যাক রাত ১০টাকে ঠিক করে দেয়া হলো সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের জন্য। কেমন হবে বলুন তো? ভাবতেই খুব একঘেঁয়ে মনে হচ্ছে, তাই না? প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে যৌনতার বিষয়টি বেশ একঘেঁয়ে মনে হলেও সম্পর্কের জন্য কিন্তু এটা খুবই উপকারী।
দু’জনের সম্মতি অনুযায়ী যৌন মিলনের একটি সময় ঠিক করে নিলে পারস্পরিক আস্থা এবং ভালোবাসা বাড়ে। সেই সঙ্গে সুস্থ যৌন জীবন নিশ্চিত হয়।
কীভাবে? জেনে নিতে পারেন নীচের তালিকা থেকে:
নিয়মিত যৌনতা নিশ্চিত করে: অনেক যুগলকেই দেখা যায় বিয়ের কয়েক বছর পরই যৌনতায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। মাসে কিংবা বছরে কয়েকদিন মাত্র একে অপরকে সঙ্গ দেয়া হয় যেসব দম্পতির, তাদের জন্য যৌনতার নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে নেয়া বেশ কার্যকরী। এতে সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত যৌনতা নিশ্চিত হয় এবং সম্পর্ক সুন্দর থাকে।
মনে উত্তেজনা থাকে: সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিকভাবে মিলিত হওয়ার সময়টা জানা থাকায় সেই সময়টাকে ঘিরে মনে বাড়তি অস্থিরতা এবং উত্তেজনা বিরাজ করবে। ফলে সারাদিন মন বেশ ভালো থাকবে।
দুজনের সুন্দর সময় কাটে: ইন্টারনেটের এই যুগে একে অপরকে মনোযোগ দেয়ার সুযোগই হয়ে ওঠে না। এমনকি খাবার টেবিলে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়েও দুজনের হাতে থাকে মোবাইল। চ্যাটিং কিংবা গেম খেলতে খেলতে ঘুম। ফলে দম্পতিদের একসঙ্গে মধুর সময় কাটানোর সুযোগ হয় না। যৌনতার জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নেয়া হলে দিনের সেই সময়টা অন্তত একান্তই দুজনে মিলে কাটাতে পারবেন।
প্রস্তুত হওয়ার সময় পাওয়া যায়: যৌন কার্যের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নেয়া হলে বেশ খানিকটা সময় পাওয়া যায় নিজেকে প্রস্তুত করে নেয়ার জন্য। নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে সঙ্গীর কাছে আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করার জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকে। এছাড়াও সেক্স ফ্যান্টাসি নিয়ে ভাবারও যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়।
প্রত্যাখ্যাত হওয়ার আশঙ্কা নেই: দুজনের সম্মতিতেই যেহেতু সময়টা নির্ধারণ করা হয়, তাই এক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার আশঙ্কা নেই। অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা বা অসুস্থতা ছাড়া দুজনেরই যৌন কার্যে সম্মতি থাকে। ফলে দুজনেরই মানসিক এবং শারীরিক তৃপ্তি পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মাই জয় অনলাইন









