গণতন্ত্রের চর্চাকে এগিয়ে নিতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক উন্মুক্ত করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে তথ্য অধিকার আইন ও গভীরতাধর্মী সাংবাদিকতা বিষয়ক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
এছাড়া জনপ্রতিনিধিদের সম্পত্তির হলফনামা নিজ খরচে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন মন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন: ২০০৮ সালে আমি যখন নির্বাচন করলাম, এলাকায় গিয়ে দেখি-আমার সম্পদের হলফনামা সবার হাতে হাতে। কিন্তু হঠাৎ এমন কি হলো, কমিশন এটা এখন গোপন রাখছে! আমি মনে করি, তথ্যের অবাধ প্রবাহের জন্য এটা উন্মুক্ত করা উচিৎ।
তথ্য অধিকার আইন অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এবং গণতন্ত্র বিকাশে সাহায্য করে। বাংলাদেশে স্বচ্ছ শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে সাইবার জগতের বিকাশকে সহায়তা করতে হবে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধ মোকাবেলা করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে স্বচ্ছ শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে সাইবার জগতের বিকাশকে সহায়তা করতে হবে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধ মোকাবেলা করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, তৃণমূলে কাজের বিনিমিয়ে খাদ্যসহ অন্যান্য কর্মসূচি নিয়ে তথ্য অধিকার আইন ব্যবহার করে রিপোর্ট করে অপচয় রোধ করুন। তিনি বলেন, তথ্য অধিকার আইন হাল নাগাদ করার সময় এসে গেছে। আপনারা এগিয়ে আসুন। আমার আইন হালনাগদ করি।
সেমিনারের বিশেষ অতিথি প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান বলেন, ‘ফলপ্রসূভাবে আইন প্রয়োগ করতে চাইলে মানুষকে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে জানাতে হবে। মানুষ আইন সম্পর্কে তেমন বেশি জানেন না। তিনি বলেন, এ আইনের ফলে প্রশাসনের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, দুর্নীতি কমে যাচ্ছে।
ভাসাভাসা তথ্য দিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তথ্য অধিকার আইন ব্যবহার করে সাংবাদিকরা গভীরধর্মী প্রতিবেদন তৈরি করতে পারেন। তথ্য গোপনের সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার একটি আবহ তৈরি হচ্ছে বলে প্রধান তথ্য কমিশনার আরো উল্লেখ করেন।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিশেনের এ আয়োজনে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মীর মাসরুর জামান ও সদস্য মীর সহিদুল আলমের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।









