গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটি। পরে দলের যৌথ সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের শান্তি শৃংখলা ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীসহ সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। বলেন, প্রত্যেক মানুষ শান্তি চায়। আর সেই শান্তি নিরাপত্তা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। আর তার জন্য যে যে পদক্ষেপ নেয়া দরকার আমরা তা নেবো।”
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় ধরে রাখতেও কাজ করে যাওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
যে মহান নেতা পথ দেখিয়েছিলেন কোটি বাঙালিকে, যে মহান নেতার স্বপ্ন ছুঁয়ে এ জাতি দেখেছে স্বাধীনতা- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে পথচলা শুরু করলো আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি।
প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও পরে নতুন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতির শ্রদ্ধা নিবেদন আর শপথ, উন্নয়নে সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়ার। সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা। পরে দোয়া মোনাজত করা হয়।

জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি জাতির জনকের জন্মভুমিতে বৈঠকের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিক শুভযাত্রা হয় নতুন কমিটির। কেন্দ্রীয় কমিটি এবং উপদেষ্টামন্ডলীকে নিয়ে যৌথ সভায় প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন যে বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, যে বাংলার স্বপ্ন দেখেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী এবং আলবদর রাজাকার বাহিনীর প্রধানদের দ্বারা গঠিত যে দল, এই জামায়াত বিএনপি, এদের একটা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র সবসময় এদেশে কাজ করছে, একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার। এ ব্যাপারে সমগ্র দেশবাসীকে আরও সতর্ক থাকার জন্য আমি আহ্বান জানাবো। সকল ধরনের জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে আমি সেই আহ্বান জানাই। সেটাই হবে আমাদের লক্ষ্য।
“কেউ এই সন্ত্রাসের পথ চায় না। কেউ জঙ্গিবাদ চায় না। প্রত্যেক মানুষ শান্তি চায়। আর সেই শান্তি নিরাপত্তা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। আর তার জন্য যে যে পদক্ষেপ নেয়া দরকার আমরা তা নেবো”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই জনগণ অনুভব করে, সরকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে। তাই সেই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মানুষের শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য, জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের প্রতি প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির প্রতিও তিনি একই আহ্বান জানান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয় আছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মুলতবি হয়ে যাওয়া এই বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনের বৈঠকের মাধ্যমে শেষ হবে।









