অসচেতনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে যে আবর্জনা নিত্যদিন সমস্যার সৃষ্টি করছে, শকুনের মতো বর্জভূক পাখিরা প্রাকৃতিকভাবে এসব মৃতদেহ ও আবর্জনা খেয়ে পরিবেশকে করছে দূষণমুক্ত। কিন্তু বর্তমানে উপকারী এই পাখিটিবিলুপ্তির পথে। এই পাখিটি সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হবে আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস।
বাংলাদেশের বর্জ্যভুক্ত পাখিদের মধ্যে অন্যতম শকুন। এই পাখিরা বিভিন্ন মৃতপ্রাণী খেয়ে থাকে। কোথাও কোনো মৃত প্রাণীর খোঁজ পেলে ঝাঁকে ঝাঁকে শকুন এসে নিমেষেই পরিস্কার করে দেয়।
আমাদের অবহেলার কারণে যেসব আবর্জনা ও মৃতপ্রাণী সুষ্ঠুভাবে পরিশোধন হচ্ছে না, এই পাখিরা সেই কাজটি করছে প্রাকৃতিকভাবে। সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এরা পরোক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে শকুনের সংখ্যা একেবারেই কমে যাওয়ার কারণে এদের খুব বেশি দেখা যায় না এখন।বর্তমানে এরা বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।
তাই শকুনের অভাবে মৃত প্রাণীও সঠিকভাবে পরিস্কার হচ্ছে না, দূষিত হচ্ছে সার্বিক পরিবেশ।গবাদিপশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডাইক্লোফেনাক শকুনের জন্য এই ভয়াবহ দূর্যোগ ডেকে আনছে।
এই ওষুধ গবাদিপশুর দেহে অনেকদিন সঞ্চিত থাকে বলে মৃতপ্রাণী খাওয়ার মাধ্যমে শকুন রোগাক্রান্ত হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
তাই বিকল্প ওষুধ ব্যবহার এবং এদের আবাসস্থল রক্ষা করে শকুন সংরক্ষণে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। তবেই হয়তো রক্ষা পাবে এই উপকারি পাখিটি।






