রামপাল প্রকল্প নির্মাণ কাজ চলবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই ইলাহী জানিয়েছেন, সুন্দরবন এলাকায় রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউনেস্কোর আপত্তি নেই, তবে প্রকল্প এলাকায় বড় ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ না করার জন্য বলেছে ইউনেস্কো।
সোমবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনের মুক্তি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তৌফিক ই ইলাহী বলেন, সুন্দরবন এলাকায় রামপালসহ বড় ধরনের কোন অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবে না মর্মে আপত্তি জানিয়ে ইউনেস্কো যে বিবৃতি দিয়েছিল, (শুনানিতে) যুক্তিতর্কের পর সেখান থেকে তারা রামপাল শব্দটি বাদ দিয়েছে। ফলে রামপাল প্রকল্প নির্মাণে আর কোনো বাধা নাই। তবে এতে যদি কোনো প্রতিকার নেওয়ার প্রয়োজন হয়, সেটা নিতে হবে বলে জানিয়েছে ইউনেস্কো।
তিনি আরও বলেন, ইউনেস্কো রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রভাব নিয়ে সুন্দরবন এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি কৌশলগত পরিবেশগত সমীক্ষা (স্ট্রাটেজিক এনভায়রনমেন্টাল এসেসমেন্ট) করতে অনুরোধ করেছে। আমরা সেই সমীক্ষা পরিচালনা করবো। তবে তা করতে দুই বছর সময় লাগবে। কিন্তু এর সঙ্গে রামপাল প্রকল্পের কাজও চলমান থাকবে।
সরকার পরিবশে বিষয়ে সতর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তৌফিক ই এলাহী বলেন, ‘কোনো মিটিগেটিং মেজার (পদক্ষেপ) নেওয়ার প্রয়োজন হলে আমরা সেটা নেব। তারা যেমন পরিবেশ বিষয়ে সচেতন, তেমনি আমরাও সুন্দরবনের যাতে ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক’।
ইউনেস্কোর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তারা বলেছিল, পরিবেশ সমীক্ষা না করে বড় প্রকল্প না করতে। আমরা সেখানে রামপাল ছাড়া আরও কয়েকটি প্রকল্প স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছি। তারা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আপাতত সেখানে বড় ধরনের কোন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে না। এখন শুধু প্রকল্পের প্রয়োজনে ছোট ছোট অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
এ সময় রামপাল বিরোধীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেহেতু ইউনেস্কো রামপাল বিষয়ে আপত্তি তুলে নিয়েছে, তাই এখন এটা নিয়ে সমালোচনা না করে কাজে সহায়তা করুন।









