মিয়ানমারের দুটি অস্ত্রধারী নৃগোষ্ঠী সরকারের সঙ্গে তাদের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি এখানে চলমান দশকব্যাপী সংঘর্ষের বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা বলেছেন বলেই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে দল দুটি। মঙ্গলবার এই অস্ত্রবিরতির ঘোষণাপত্রে সাক্ষর করে দল দুটি।
সু চি জানান, চিরস্থায়ী এই বিবাদ শেষ করাই এখন তার মূল চিন্তার বিষয়। কিন্তু বৌদ্ধ প্রধান এই দেশে সু চি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধ চলছে। সেটাও চলছে প্রায় ২ বছর যাবত।
মিয়ানমারে লাখ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে পালিয়ে আসার কারণে যে শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়েছিলো সেই শান্তি প্রক্রিয়াই পারে সম্পদে পরিপূর্ণ ৫০ মিলিয়ন মানুষের এই দেশের আকাঙ্ক্ষিত ও নিশ্চিত উন্নয়নের পথ উন্মুক্ত করতে, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মিয়ানমারের নিউ মন স্টেট পার্টি ও লাহু ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন সু চি ও মিলিটারি কমান্ডার ইন চিফ মিন অং হ্লায়িংয়ের সঙ্গে দেখা করার পরে এই চুক্তিপত্রে সই করেছে।
নেপিদোতে সাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সু চি বলেন, এরপরের কাজ হচ্ছে যারা যুদ্ধবিরতির চুক্তিপত্রে সাক্ষর করেছে তাদের সেই ইচ্ছা স্থায়ী করা এবং অন্যান্য দলকে এই সংলাপের মধ্যে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতিতে সাক্ষর করা দল দুটি সম্প্রতি মিলিটারির সঙ্গে কোনো যুদ্ধে লিপ্ত ছিলো না। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এরপরও এই পদক্ষেপ অন্যান্য অস্ত্রধারী দলকে সমস্যা সমাধানের পথে আসতে সাহায্য করবে।
গত মে মাস থেকে কয়েকটি দলের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠক করছেন সু চি। নোবেল জয়ী এই নেত্রী বিগত কয়েকদিন ধরেই রোহিঙ্গা বিষয়ে তার অবস্থানের কারণে বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হচ্ছেন।









