বাংলাদেশে একজন ভালো স্ট্রাইকারের অভাব সেই কবে থেকে। গোল মিস দেখতে দেখতে এদেশের ফুটবল দর্শকরা ক্লান্ত। এই অবস্থা শুধু ঢাকার ফুটবলে নয়; ক্রীড়া বিশ্লেষক পল উইলিয়ামস ফক্স স্পোর্টসে লেখা এক কলামে বলছেন গোটা এশিয়ায় এই চিত্র বিরাজ করছে।
পলের মতে, ‘এই সমস্যা নতুন কিছু নয়। প্রকৃতপক্ষে অনেক দিনের। কিন্তু সমস্যার কোনো উন্নতি নেই।’
ইউরোপে খেলেন এমন বেশ কয়েকজন মিডফিল্ডার কিংবা উইঙ্গার এশিয়ায় আছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম সাউথ কোরিয়ার সন হিউং-মিন, জাপানের কেইসুকে হোন্ডা, সিনজি ওকাজাকি। কিন্তু স্ট্রাইকার বলতে তেমন কেউ নেই।
জাপান, চিন, সাউথ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের লিগের অবস্থা যাচ্ছেতাই। গত তিন বছরে এই লিগগুলোতে এশিয়ার স্ট্রাইকাররা এতটুকু প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। বাংলাদেশের জাতীয় দলের স্ট্রাইকাররা তো ঘরোয়া লিগে প্রায়ই সাইডবেঞ্চে বসে থাকেন।
২০১৬ সালে জাপানের শীর্ষ দুটি লিগে মাত্র একজন এশিয়ান স্ট্রাইকার শীর্ষ গোলদাতাদের তালিকায় ঠাঁই পান। গত তিন বছরে অস্ট্রেলিয়ান লিগের চিত্রও একই রকম।
এশিয়ার শীর্ষ ফুটবল খেলুড়ে দেশগুলোয় প্রতি দল পাঁচজন করে বিদেশি ফুটবলার নাম লেখাতে পারে। পল উইলিয়ামস তার অভিজ্ঞতা থেকে বলছেন, ‘আমি দেখেছি প্রায় সব দল আক্রমণভাগের খেলোয়াড় অর্থাৎ স্ট্রাইকার কেনায় ব্যস্ত থাকে।’









