চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বিশ্বের সেরা সাড়ে ছয়’শ বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই আমাদের একটিও!

চিররঞ্জন সরকার by চিররঞ্জন সরকার
12:11 পূর্বাহ্ন 17, ডিসেম্বর 2015
in মতামত
A A

কিছু কাল হলো, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির একটা ক্রমিক তালিকা তৈরির রেওয়াজ হয়েছে। তাতে সবচেয়ে বিশ্বস্ততা লাভ করেছে টাইমস হায়ার এজুকেশন-এর তালিকা। সহজবোধ্য কারণে এই তালিকার প্রায় পুরোটা জুড়ে থাকে আমেরিকা ও ইউরোপের প্রতিষ্ঠান।

ইদানীং তাই একটা পৃথক তালিকা তৈরি হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলির, বিশেষত ‘ব্রিকস’ অর্থাৎ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে। ২০১৬-র আগাম তারিখ দিয়ে সেই তালিকাটির নতুন সংস্করণ সদ্য প্রকাশিত হয়েছে। এমন তালিকার ভিত্তি ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক আছে। ছাত্রদের পরীক্ষার ফল যেমন নানা বিষয় যোগ করে মোট নম্বর গুনে হিসাব করা হয়, এও একেবারে তাই।

পরীক্ষার নম্বরের বিচারকে ধ্রুবজ্ঞান করা, বিশেষত তার ভিত্তিতে ‘প্রথম বিশ’ বা ‘প্রথম একশো’ ছাত্রকে বাছা নিয়ে যে সঙ্গত আপত্তি আছে, এ ক্ষেত্রেও তা উঠতে পারে। তবু ছাত্রদের ক্ষেত্রে যেমন পরীক্ষার ফল মেধা বা অন্তত নিষ্ঠা মাপার একটা মোটা দাগের সূচক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও তেমন ধরা যেতে পারে।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কখনোই এই পরীক্ষায় তেমন এঁটে উঠতে পারে না। সর্বশেষ তালিকাতেও আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোন উল্লেখযোগ্য স্থান নেই। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের হিসেব অনুযায়ী দেশে ৩৮টি পাবলিক এবং ৮৪টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ১৬ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে ১২২টি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও এর কোনোটিই বিশ্বের সেরা ৫০০ এর মধ্যে নেই। তবে বিশ্বের সেরা ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই তালিকায় বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের এই সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান র‌্যাকিংয়ের ৬৫০-৭০০ এর মধ্যে। এই র‌্যাকিংয়ের পাশাপাশি ব্রিকস ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সেরা ২০০টি বিশ্ববিদ্যালয়েরও একটি র্যাং কিং প্রকাশ করেছে। এতেও বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাবি ১৮৯তম স্থান পেয়েছে।

উল্লেখ্য বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় প্রথম হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (ক্যালটেক)। এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হলো ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিংগাপুর, যার অবস্থান ২৬ এবং ৪২তম স্থানে চিনের পিকিং ইউনিভার্সিটি। আবার বলছি, এই তালিকা শিরোধার্য করার কারণ নেই। তবু এর ভিত্তিতে কিছু সিদ্ধান্ত, কিছু প্রস্তাবের অবকাশ আছে। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যারয়ের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। হতাশা আছে।

যুগের চাহিদা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভূমিকা পালন করতে পারছে না। পাবালিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অবক্ষয়গ্রস্ত হয়েছে অতিরিক্ত দলীয় রাজনীতির চর্চা আর দেশের নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতার কারণে। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কাঙ্ক্ষিত মান অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। সেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞান-গবেষণা চর্চার চেয়ে অর্থনৈতিক লাভ বেশি গুরুত্ব পায়। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, শিক্ষা বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের সুস্পষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই।

আধুনিক জীবনে বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি ভূমিকা পালন করে। প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান উৎপাদন করে, যা দেশ ও বিশ্বের কল্যাণে অত্যাবশ্যক। দ্বিতীয়ত, ওই সব জ্ঞানের বাস্তবায়নে দক্ষ-যোগ্য প্রশাসনিক নেতৃত্ব তৈরি করে। ক্লাসঘরে সারি সারি বসে থাকা মেধাদীপ্ত তরুণ ছেলেমেয়েকে বিশেষজ্ঞরূপে শিক্ষিত-প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা।

দেশের জনগণ নিজেদের সন্তানদের পায় সৃজনশীল মননে। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে একটি জনপদের সমস্যা ও সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে তত্ত্ব উদ্ভাবন, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, গণমুখী অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক দর্শন নির্ধারণ করে এবং সেসব বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দেয়। দেশের মনীষা বিশ্বসমক্ষে ভাস্বর হয়ে ওঠে।

সারা বিশ্বকেও কল্যাণের পথে নেতৃত্ব প্রদানে ভূমিকা পালনে সমর্থ হয় দেশ এবং বিশ্বে উচ্চপর্যায়ে আসীন হয় দেশের অবস্থান। এভাবেই দেশ এগিয়ে যায়, বিশ্বকে সঙ্গে নিয়ে, সভ্যতার পথে। দেশে উচ্চশিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটলেও এর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রতি বছর স্নাতক ডিগ্রি লাভকারীদের অন্তত ৭০ ভাগের মান সন্তোষজনক নয় উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বলেছে, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে না পারায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদনে শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ ও জাতীয় উন্নয়নে মোট ২৮ দফা সুপারিশ পেশ করেছে। এসব সুপারিশের মধ্যে রয়েছে মেধাপাচার রোধে গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি, উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, সেশনজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে খ্যাপ ব্যবসা বন্ধ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।

বলার অপেক্ষা রাখে না, উচ্চশিক্ষায় গলদ থাকায় বিপুলসংখ্যক গ্রাজুয়েট জাতির বোঝা হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। শিক্ষাগুরু সক্রেটিস থেকে শুরু করে নিকট-অতীতের টোল পণ্ডিতরা জ্ঞান বিতরণের কাজকে ঐশ্বরিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করতেন। কিন্তু যুগ-পরিবর্তনের হাওয়ায় দৃশ্যপট আমূল পাল্টে গেছে। জ্ঞান বিতরণের কাজটি এখন পরিণত হয়েছে বাণিজ্যের প্রধান উপকরণে। প্রাইভেট টিউশনি, কোচিং সেন্টার ইত্যাদির পর শিক্ষা-বাণিজ্যে সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নামধারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা এক-একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে প্যাকেজ আওতায় জাতিকে জ্ঞান বিতরণের মহৎ কাজটি করে চলেছেন। জ্ঞানার্জনের উপায়, পদ্ধতি ও পরিবেশ যাই হোক না কেন, পকেটে যথেষ্ট অর্থকড়ি না থাকলে সেখানকার ছাত্রত্ব অর্জন করা যায় না।

দেশে পাসের হার বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। তবে শিক্ষার্থী বৃদ্ধির অনুপাতে শিক্ষার মানের উন্নয়ন করা না গেলে এ থেকে কোনো সুফল পাবে না জাতি। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হয়নি। এ সুযোগে অনেকেই কোচিং সেন্টারের আদলে বহুতল ভবনের একটি বা দুটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে রাতারাতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে বাণিজ্যের পসরা খুলে বসেছে।

দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭০-এরও বেশি হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণার সঙ্গে তা সঙ্গতিপূর্ণ নয়। অন্যদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজগুলোর বেশির ভাগেরই না আছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক, পাঠাগার ও গবেষণাগারসহ সমন্বিত পাঠদানের ব্যবস্থা, না আছে অবকাঠামোসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা। বিষয়ভিত্তিক প্রয়োজনীয় শিক্ষক এবং জ্ঞানচর্চার মুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক উত্তীর্ণদের জানার ভিত দুর্বল হওয়াই স্বাভাবিক। বাস্তবে যে এটিই ঘটছে।

গণতন্ত্রকে সংখ্যার প্রাধান্য রূপে গণ্য করতে অভ্যস্ত আমাদের রাজনৈতিক নেতারা পরিমাণ নিয়ে এতই ভাবিত যে, গুণগত উৎকর্ষকে সংখ্যার যূপকাষ্ঠে বলি দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেন না। তাইতো তারা বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অকাতরে ছাড়পত্র দিয়েছেন। তাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আকাশে উঠেছে, শিক্ষার মান কোন অতলে নেমেছে, তা জানতে তদন্ত কমিটি করা যেতে পারে। লক্ষণীয়, সামগ্রিক ভাবেই উচ্চশিক্ষার মানের সঙ্গে আমাদের দেশের সরকাগুলো গুরুতর আপস করে আসছে। এখানেই বঞ্চিত বাংলাদেশ। আজ বহুদিন ধরে।

এর পরেও আমাদের দেশে যতটুকু যা লেখাপড়া কিংবা জ্ঞান চর্চা হয়, যারা তা করে সেটা একান্ত নিজেদের গরজেই করে। বিধাতার খেয়ালে এই দেশে এমন উড়নচন্ডী ‘পাগলা কানাই’ অনেক জন্মায়, তাই কিছুতেই এখান থেকে লেখাপড়া নির্মূল করা যাচ্ছে না! আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষা ঘিরে কী চরম অবহেলা ও ভ্রষ্টাচার চলছে-তা সচেতন ব্যক্তিমাত্রই জানেন। শিক্ষার উন্নতি সমাজের একটা সার্বিক প্রক্রিয়া।

এক মঞ্চে মার্গসঙ্গীত আর বাঁদরনাচ চলে না। তেমনই শিক্ষার নামে দলীয়করণ, নোংরা রাজনীতি, হিংসা, লোভ আর দুরাচারের অবাধ রাজত্ব কায়েম করব, আর শিক্ষার মান বাড়বে-তা হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বাড়ানোর প্রশ্নটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হওয়া উচিত। বিদ্যাবিরোধী, জ্ঞানবিরোধী মানুষজন এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব নেবে না। আমলাতন্ত্র নির্ভর সরকারও ভরসার জায়গা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেই ঘুম ভেঙ্গে উঠতে হবে। জেগে উঠে তো নিজেদের পথ নিজেদেরই দেখতে হবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: চিররঞ্জন সরকারশিক্ষা
Previous Post

বছরজুড়ে ছোট পর্দা তারকাদের আলোচিত সব বিয়ে

Next Post

স্বাধীনতার চেতনাঃ পক্ষ-বিপক্ষের কড়চা

Next Post

স্বাধীনতার চেতনাঃ পক্ষ-বিপক্ষের কড়চা

৫৪ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা বাণিজ্যিক বিমান চলাচল

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT