৫ জানুয়ারির এ নির্বাচনকে বিএনপির গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালনে অংশ হিসেবে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা। দলের নেতা কর্মীরা আশা করছেন, দলের চেয়ারপার্সন এসে নতুন দিকনির্দেশনা দেবেন এবং সেভাবেই কাজ করবে তারা।
সমাবেশ উপলক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মইন খান বলেছেন, আজকে সরকারের উপলব্ধি হয়েছে যে বিরোধী দলকে স্তব্ধ করে দিয়ে কোনো দেশ চলতে পারে না। একবিংশ শতাব্দীতে এসে কোনো দেশ এভাবে চলতে পারে না।
দলের চেয়ারপার্সন কী দিক-নির্দেশনা দিবেন এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মইন খান বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের দিক-নির্দেশনার ব্যাপারে তার মুখেই শুনতে পাবেন।
ইতিমধ্যে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত হয়েছেন।
এর আগে গত বছরের মতো এবারও দু’দল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চাইলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগও পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ রাজধানীর ১৮টি স্থানে সমাবেশ আহবান করে। শেষ পর্যন্ত ডিএমপির হস্তক্ষেপে দুই দলের কর্মসূচি ভেস্তে যায়। ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয় একই স্থানে এক সঙ্গে দুই দলের সমাবেশ করতে দেওয়ার সুযোগ নেই।
তবে তার ঠিক একদিন আগে ৪ জানুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দুই দলকেই নিজ নিজ কার্যালয়ে সমাবেশ করার কথা জানান মেয়র সাইদ খোকন।






