চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘বিতর্কিত’ ৫৭ ধারা বদলে ১৯ ধারা: সমস্যা কি আরও বাড়ছে?

সীমান্ত প্রধান by সীমান্ত প্রধান
3:15 অপরাহ্ন 19, জুলাই 2017
in মতামত
A A
৫৭ ধারা বাতিল করে ১৯ ধারা হচ্ছে

দেশ-বিদেশে বহু বিতর্কের পর তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ‘বিতর্কিত’ ৫৭ ধারা পরিবর্তন করা হচ্ছে। এর পরিবর্তে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট’-এর ১৯ ধারা আনা হচ্ছে। আগামী আগস্টে এই ধারাটি চূড়ান্ত যাচ্ছে খবর প্রকাশিত হয়েছে। নতুন নামে আইনটি আনার প্রক্রিয়া শুরু হলেও ৫৭ ধারার মত ১৯ ধারায় একই বিষয়বস্তু সন্নিবেশিত করার প্রক্রিয়া চলছে, তাই এটুকু অনুমান করা যাচ্ছে যে এই দুই ধারাই বাক-স্বাধীনতার পরিপন্থী।

৫৭ ধারার মত ১৯ ধারাতেও একইভাবে সাংবাদিক, ব্লগার, ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্টরা হয়রানি শিকার হবে। এক কথায় মানুষের বাক-স্বাধীনতার ওপর এই ধারাটিও নগ্ন হস্তক্ষেপ করবে।

অথচ, গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত প্রতিটি রাষ্ট্র তার প্রতিটি নাগরিককে বাক-স্বাধীনতা (ফ্রিডম অব স্পিচ) অর্থাৎ মৌখিক কথা বলার অধিকার, ভাব প্রকাশের অধিকার (ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন), চিন্তার অধিকার (ফ্রিডম অব থট) এবং বিবেকের স্বাধীনতা (ফ্রিডম অব কনসায়েন্স)-এর অধিকার দিবে, বিশ্ব মানবাধিকারও তাই বলে।

১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে ‘ইউনিভারসাল ডিক্লারেশন অব হিউম্যান রাইটস’ (ইউডিএইচআর) শিরোনামে যে ঘোষণাপত্র প্রকাশ কারা হয়েছিল, সেখানেও স্পষ্ট করেই বলা আছে “Everyone has the right to freedom of opinion and expression; this right includes freedom to hold opinions without interference and to seek, receive and impart information and ideas through any media and regardless of frontiers”।

এছাড়াও ১৯৬৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর গৃহিত হওয়া ‘ইন্টারন্যাশনাল কভেন্যান্ট অন সিভিল অ্যন্ড পলিটিক্যাল রাইটস (আইসিসিপিআর) -এ বলা আছে “The right to hold opinions without interference. Everyone shall have the right to freedom of expression’। এই চুক্তিটি ১৯৭৬ সালের ২৩ মার্চ কার্যকর হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি এতে বাংলাদেশও স্বাক্ষর করে। চুক্তি মোতাবেক যেসব দেশ এতে স্বাক্ষর করে সম্মতি প্রদান করেছে তারা নিজ দেশের নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিতে বাধ্য। এতেই বোঝা যায় একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতার গুরুত্ব কতখানি। কেননা, অংশগ্রহণমূলক গনতন্ত্র (Participatory democracy) ও জবাবদীহিমূলক সরকারের (Responsible Government) জন্য নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শুধু তাই নয়; প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সরকারের নিজ নাগরিকের প্রতি কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেদিক থেকে রাষ্ট্রকেই নাগরিকের মতপ্রকাশের ব্যাপারটি সুনিশ্চিত করতে হবে। ফলে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। যদি মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করে, তাহলে গণতন্ত্রের চর্চা ব্যাহত হয়, নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব হয়। কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এ কাজটি করতে পারে না। তারপরও ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তার নাগরিকদের মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করার মানসে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (ICT) আইনের ৫৭ ধারা প্রণয়ন করে। এরপর প্রণীত তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে সংশোধন আনা হয় ২০১৩ সালে।

আইনটি প্রণয়নের পর অপপ্রয়োগ তেমন একটা না থাকলেও সংশোধনী আনার পর থেকেই শুরু হয় হয়রানি। গত ৫ বছরে পুরো দেশজুড়ে এই আইনে ৭‘শ ৪০ টি মামলা হয়। যার ৬০ শতাংশ ৫৭ ধারায়। এর শিকার সব‘চে বেশি সংবাদকর্মী, ব্লগার ও ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্টরা। আইন সংশোধনীর প্রথম বছর তথা ২০১৩ সালে মাত্র ৩টি মামলা দায়ের হলেও পরবর্তী বছরগুলোতে জ্যামেতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে মামলার সংখ্যা। এর মধ্যে ২০১৪ সালে ৩৩টি, ২০১৫ সালে ১৫২, ২০১৬ সালে ২`শ ৩৩টি এবং এ বছরের মাত্র ছয় মাসে মামলা দায়ের হয়েছে ৩`শ ১৯টি।

৫৭ ধারা প্রণয়নের পর থেকে দেশ-বিদেশে বহু বিতর্ক, সমালোচনা হয়েছে। সমালোচনার মুখে বহুল আলোচিত তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (ICT) আইনের ৫৭ ধারা বাতিল হতে হচ্ছে। তবে এর পরিবর্তে যে আইন প্রণয়ন হচ্ছে, সেটিও কিন্তু বাক স্বাধীনতার অন্তরায়। কেননা, ৫৭ ধারার মতো নতুন ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনেও পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি, মালামাল জব্দ ও গ্রেপ্তারের বিধান রাখা হচ্ছে। তবে অস্পষ্ট রয়েছে এই ধারা ৫৭-এর মতো অজামিনযোগ্য কিনা। এক্ষেত্রে এটুকু বোঝা যাচ্ছে ৫৭ ধারা কিঞ্চিত রদবদল হচ্ছে যা অনেকটা ‘নতুন বোতলে পুরনো মদ’ এই আরকি! যদিও বলা হচ্ছে এই আইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকছে কিন্তু আতিপাতি করেও সেই স্বাধীনতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

১৯ ধারায় বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি যদি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনও ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে (১৮৬০ সালের ৪৫ নম্বর আইন)-এর ৪৯৯ ধারা মতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মানহানি ঘটলে তাহা হইবে একটি অপরাধ। কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে এমন কোনো কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা বা অশ্লীল এবং যাহা মানুষের মনকে বিকৃত ও দূষিত করে, মর্যাদাহানি ঘটায় বা সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করে, তাহা হইলে ইহা হইবে একটি অপরাধ।’

এছাড়া ১৯-এর ৩-এর ধারায় উল্লেখ আছে, ‘কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছাকৃতভাবে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার উদ্দেশ্যে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পাঠ করে বা দেখে বা শুনে তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত পান, তা হলে এটি হবে একটি অপরাধ।’

অনুরূপ কথাও ৫৭ ধারায় উল্লেখিত আছে। তবে ৫৭ ধারা ও ১৯ ধারায় শাস্তির ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। ৫৭ ধারার অপরাধের জন্য অনধিক ১৪ বছর ও অন্যূন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা আছে। সেক্ষেত্রে ১৯ ধারার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর ও সর্বনিম্ন দুই মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া ১৯ ধারায় অভিযোগ দায়ের হলে তদন্ত বা ওয়ারেন্ট ছাড়া পুলিশ চাইলেই গ্রেপ্তার করার অধিকার পাচ্ছে। একজন পুলিশের ওপর এতটা দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া কতটা যৌক্তিক? পুলিশের ওপর এ দায়িত্ব অর্পিত করা ঠিক হবে না। কেননা, একজন লেখক কিংবা সাংবাদিকের লেখা বা তার দেয়া তথ্যে কোনো প্রকার আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, সে বিচার বিশ্লেষণ করার অধিকার এই ধারায় পুলিশের ওপর চলে যাচ্ছে। এতে করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করা কখনই সভ্যতার নিদর্শন হতে পারে না। মতপ্রকাশের ওপর হস্তক্ষেপ মানেই গণতন্ত্র চর্চায় ব্যঘাত ঘটানো।

৫৭ ধারা বিলুপ্ত করে যে ১৯ ধারা আনতে যাচ্ছে সরকার তা একটু এদিক-সেদিক হলেও কাজ কিন্তু একই! সুতরাং আইন করে মতপ্রকাশের ওপর তদারকি করাটা কাম্য হতে পারে না। অবাধ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সরকার তার নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করুক।

সেক্ষেত্রে আমরা প্রত্যাশা করছি, ৫৭ ধারা বিলুপ্ত হোক কিন্তু এই আইনের আদলে নতুন কোনো আইন করা থেকে সরে আসুক তারা। গণতান্ত্রিক চর্চা সুমন্নত রাখার জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অত্যাবশ্যক। সরকার এদিকটা বিবেচনা করবে বলে প্রত্যাশা করছি।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Previous Post

বাংলাদেশি হত্যায় মার্কিন নাগরিকের যাবজ্জীবন

Next Post

হলি আর্টিজান হামলা: জঙ্গি সোহেলের কাছ থেকে মিলছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Next Post

হলি আর্টিজান হামলা: জঙ্গি সোহেলের কাছ থেকে মিলছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

শচীন

সব জেতা শাস্ত্রীর এবার শচীনকে চাই

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT