যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে যে বাড়িতে মেরিলিন মনরোর লাশ পাওয়া গিয়েছিল, তা বিক্রির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। মনরোর ব্যবহৃত অনেক জিনিস বিক্রির ধারাবাহিকতায় এবার বিক্রি করা হচ্ছে তার বাড়িটি। ৫ আগষ্ট, ১৯৬২ সালে এই বাড়িতেই তার মরদেহ পাওয়া যায়।
দুই হাজার ছয় শত চব্বিশ বর্গফুটের এই বাড়িটি বেশ নয়নাভিরাম। প্রাসাদতুল্য এই বাড়ির সামনে রয়েছে একটি সুইমিংপুল এবং চারিদিকে গাছগাছালিতে ঘেরা। বাড়িটি লস অ্যাঞ্জেলেসের ব্রেন্টউড শহরের কেন্দ্রেই অবস্থিত। যা রেষ্টুরেন্ট এবং শপিং মল থেকে একদম হাঁটার দুরত্ব। বাড়িটির অভ্যন্তরে যেন পর্যাপ্ত আলো বাতাস প্রবেশ করতে পারে, তার যাবতীয় ব্যবস্থা রয়েছে। দরজা-জানালাগুলো সেভাবেই তৈরি। বাড়ির ভেতরে চারটি বেড রুমের সাথে চারটি অ্যাটাচড বাথ রয়েছে।
স্বামী নাট্যকার আর্থার মিলারের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে, তিনি এই বাড়িতেই বাস করতেন। বাড়িটি কেনার কিছুদিন পর এখানেই তার লাশ মিলে। তার মৃত্যু নিয়ে অনেক ধরনের কথা শোনা যায়। যদিও প্রাথমিকভাবে বলা হয় যে, অতিরিক্ত ড্রাগের বিষক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়।
মেরিলিন মনরো ছিলেন হলিউডের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আবেদনময়ী নায়িকাদের একজন। তিনি গত শতকের পঞ্চাশের দশকের নামকরা মডেলও ছিলেন। ১৯৪৪ সালে ফ্যাক্টরিতে কাজের সময় তিনি একজন ফটোগ্রাফারের নজরে আসেন। সেই থেকে তার অভিনয় এবং মডেলিং জীবনের শুরু।
তিনি ১ জুন, ১৯২৬ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনটি বিয়ের মধ্যে শেষের দুজন ছিলেন বেসবল তারকা জো দিমাগিও এবং বিখ্যাত নাট্যকার আর্থার মিলার।
ব্যক্তিগত জীবনের হতাশা, উদ্বিগ্নতা এবং জীবনের নানা পর্যায়ে তাকে অপব্যবহার, সব মিলিয়ে তার নিজের জীবনের প্রতি অনীহা চলে আসে। আর তা থেকেই তিনি মদ্যপান এবং মাদকাসক্তিকে জীবনের অংশ করে তুলেন। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে তার জীবনাবসান ঘটে। পিটিআই, ম্যানশন গ্লোবাল।

















