মানব শরীরের বাইরে একটি পরীক্ষাগারে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্ত করে, সেই নিষিক্ত ডিম্বাণু বা ভ্রুণ নারীর গর্ভাশয়ে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের পদ্ধতিকে বলা হয় আইভিএফ। বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি ব্যবহারকে ইতিবাচক হিসেবে দেখে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।








