চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বই, বইপড়া ও ফেসবুকের সবজান্তাগণ

চিররঞ্জন সরকার by চিররঞ্জন সরকার
12:43 অপরাহ্ন 28, ফেব্রুয়ারি 2020
in মতামত
A A

বইপড়ার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমরা অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলি। তবে আফসোসের বিষয়টা হলো, বর্তমান সময়ে আমরা বইপড়া থেকে ক্রমেই অনেক দূরে সরে যাচ্ছি। এমনিতেই জাতি হিসেবে বইপড়ার ব্যাপারে আমাদের প্রবল অনীহা।

আমাদের পারিবারিক জীবনেও বইপড়ার ব্যাপারে অনুকূল পরিবেশ নেই। অভিভাবকরা বইপড়তে নিরুৎসাহিত করে। পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্য বইপড়াকে খারাপ চোখে দেখা হয়। বইয়ের বিরুদ্ধে আমাদের আছে একশ একটা অকাট্য যুক্তি। বইপড়া মানে সময় নষ্ট। পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্য বইকে বলা হয় ‘বাজে’ বই।

বই-বিরুদ্ধ পরিবেশে বড় হয়ে বইপড়া আমাদের জীবনে এক নিরানন্দ একঘেয়ে ব্যাপারে পরিণত হয়। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ কেবল পরীক্ষা পাস ও চাকরি পাওয়ার জন্য বই পড়ে থাকে। পরীক্ষা আর চাকরির প্রয়োজন না থাকলে কে বই পড়ত? স্বেচ্ছায় মনের আনন্দে কে বই পড়ে?

এখন বইয়ের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বি হচ্ছে স্মার্ট ফোন। আরও স্পষ্ট করে বললে ফেসবুক। এখনকার ছেলেমেয়েরা পড়তে চায় না। সবাই কেবল মোবাইল টেপে। শয়নে-স্বপনের-জাগরণে-রেস্টুরেন্টে-আড্ডায়-টয়লেটে সবারই চোখ মোবাইলে। পারস্পরিক কথা বিনিময় কম হয়। সবাই ফেসবুক আপডেট দেখতে ব্যস্ত।

এরই মধ্যে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে বইমেলা আয়োজন করা হয়। মেলা উপলক্ষে হাজার হাজার বই প্রকাশিত হয়। বইমেলাকে ঘিরে প্রচুর লোক সমাগম ঘটে। বইমেলায় ভিড় ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া রীতিমতো একটা চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার হয়ে ওঠে। তবে এতো মানুষ সমাগমের পরেও বইয়ের কাঙ্ক্ষিত কাটতি নেই।

অনেকের কাছে বই আবার ঘুমের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। টিভি-মোবাইলে ঘাড় গুঁজে রাখলে, আড্ডা দিলে, ঘুরে বেড়ালে কিছুই হয় না। কিন্তু বই নিয়ে বসলেই ঘুম পায়। কয়েকলাইন পড়লেই ঘুমে চোখের পাতা লেগে আসে। রাজ্যের ক্লান্তি যেন এসে ভর করেছে শরীরে। তখন মনে হয়, ঘুমের চেয়ে জরুরি আর কিছুই হতে পারে না জীবনে।

এভাবে আমাদের জীবনে সব হয়, শুধু হয় না পড়া। তারপরও কিন্তু কিছু কিছু ব্যক্তি বই কেনে। বইমেলায় কোটি কোটি টাকার বই বিক্রি হয়। তবে যারা বই কেনে তাদের সবাই বই পড়ে না। বই নিয়ে নানা জনের নানা অভিজ্ঞতা। কেউ কেউ বই কেনে সাজিয়ে রাখার জন্য। ড্রইংরুমের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য। কয়েকটা মোটা মোটা বই আলমারির র‌্যাকে। সুন্দর করে সাজিয়ে না রাখলে নিজের আভিজাত্য প্রমাণ করা যায় না। যদিও সে বই সংশ্লিষ্টরা নিজেও পড়েন না, কাউকে ছুঁতেও দেন না!

আমাদের সমাজে রয়েছে বইয়ের বহুবিধ ব্যবহার। ঠোঙা বানানো, চানাচুর-বাদাম, পান বিক্রির কাজে পুরনো ও বাতিল বইয়ের পৃষ্ঠা অনাদিকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আমি এমন অনেক অলস ব্যক্তিকে দেখেছি যিনি গল্পের বইয়ের পৃষ্ঠা ছিড়ে সেটিকে মুড়িয়ে কান চুলকানোর কাজে ব্যবহার করেন।

আবার এমন অনেক সৃজনশীল গৃহিণীকে দেখেছি যারা বইয়ের পৃষ্ঠা ছিড়ে এক চুলা থেকে আরেক চুলায় আগুন ধরান! আমরা ছোটকালে যখন ভাইবোনেরা ঝগড়া করতাম, তখন বড়রা বইকে ডান্ডা হিসেবে ব্যবহার করত। মনে আছে, একবার আমার বড়ভাই আমাকে এক গ্লাস পানি আনতে বলেছিল। আমি তাৎক্ষণিক জবাব দিয়েছিলাম যে আমি কারও চাকর নই। তার হাতে ছিল বঙ্গিমচন্দ্রের কপালকুণ্ডলা। আমার ঔদ্ধত্যের জবাবে সে ওই কপালকুণ্ডলা আমার কপাল বরাবর ছুঁড়ে মেরেছিল।

একটা ছোটখাট রক্তারক্তি ব্যাপারও ঘটে গিয়েছিল। ছোট সাইজের উপন্যাসও যে কত শক্ত হতে পারে, সেদিন বুঝেছিলাম। তারপর থেকে বঙ্কিমের বইয়ের প্রতি এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি হয়। সেই ভীতি এখনও কাটেনি!

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে করে আমরা যখন দলবেধে মেসে থাকতাম, তখন প্রায় প্রতিরাতেই কিছু ভবঘুরে বন্ধু অনিচ্ছুক অতিথি হতো। তখন মেঝেতে শোয়ার সময় লুঙ্গি বিছানা চাদর হিসেবে ব্যবহার করা হতো, আর রবীন্দ্র রচনাবলি, বঙ্গীয় শব্দকোষ জাতীয় ঢাউস সাইজের বইগুলো বালিশ হিসেবে ব্যবহার হতো।

যখন মোবাইল-টিভির রমরমা ছিল না তখন দেখেছি অনেক মা বাচ্চা-কাচ্চার কান্না থামানোর জন্য বিভিন্ন গল্প-উপন্যাস-কবিতার বই তাদের সামনে দিয়ে বসিয়ে দিত। আর বাচ্চারা মনের আনন্দে বই ছিঁড়ত। বাচ্চারা কিন্তু এখনও বইয়ের পৃষ্ঠা ছিঁড়তে ভীষণ পছন্দ করে।

তবে যারা বই লেখেন, বই প্রকাশের চেষ্টা করেন তারা কিন্তু অতশত ভেবে তা করেন না। একজন তরুণ কবিকে জানি যিনি একজন প্রকাশকের কাছে গিয়েছিলেন। প্রকাশককে গিয়ে কবি বলছেন: কিছু দুর্দান্ত কবিতা লিখে এনেছি একটা বই যদি প্রকাশ করতেন।

প্রকাশক : বিয়ে করেছেন?
: না।
: বিয়ে করে তারপর আসেন।
:কেন?
: আপনার বইয়ের অন্তত একজন পাঠক তো চাই!

বই নিয়ে গোটা দুনিয়াজুড়েই অনেক কাহিনি প্রচলিত আছে। ফ্রান্সের বরেণ্যসাহিত্যিক আলেকজান্ডার দুমা একবার রাশিয়ার টিফলিস শহরে বেড়াতে গিয়ে একটা বইয়ের মার্কেটে গেলেন। সেই মার্কেটের এক দোকানদার খবর পেয়ে দুমাকে খুশি করার জন্য তার দোকান শুধু দুমার বই দিয়ে ভরে ফেলল।

দুমা অবাক হয়ে জানতে চাইলেন, কী ব্যাপার, অন্য সাহিত্যিকদের বই কোথায়?
: অন্যদের বই! অন্যদের সমস্ত বই বিক্রি হয়ে গেছে!
অনেকে বলেন বউ আর বইয়ের বিরোধ রয়েছে। এ ব্যাপারে যদিও কোনো গবেষণা নেই। আমার ধারণা নারী-বিদ্বেষী ব্যক্তিরা এমন একটা কথা দুনিয়াজুড়ে রটিয়েছে। আমি নিজে যা বুঝি তা হলো: বউ নিজে নিজেই আপনাকে ছেড়ে যেতে পারে। কিন্তু বই কখনও আপনাকে ছেড়ে যাবে না, যদি কেউ তাকে চুরি করে নিয়ে না যায়!

বই নিয়ে একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে। ট্রেনে এক হকার বই বিক্রি করছেন।
হকার একজন যাত্রীকে উদ্দেশ করে বললেন, ভাই, দেব নাকি একখানা বই? খুব ভালো বই, কাজের বই। বইয়ের নাম “চুরি করলে ধরা পড়বেন না”। এই বইটা পড়ে দেখুন, চুরি করে ধরা না-পড়ার সমস্ত নিয়মাবলি আছে। খুব সহজেই আপনি কৌশল আয়ত্ত করতে পারবেন। মনে করুন আপনার পকেটে কিছু আছে। বলেই সে ওই যাত্রীকে বললেন, ভাই আপনার পকেটে কি আছে? একটু বলুন।
যাত্রীটি বলল, মানি ব্যাগে পাঁচশো টাকা আছে।

এরপর ওই হকার যাত্রীটির পকেটে হাত দিয়ে মানিব্যাগটি বের করে ফেললেন। এরপর বললেন, এবার আমার দিকে লক্ষ্ করুন, এই নিলাম (বলেই, হকার চলন্ত ট্রেন থেকে নিচে লাফ দিল।) দেখলেন তো কিভাবে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিলাম, তবে এই কাজটি করতে হবে অত্যন্ত সাবধানে।

যাত্রীটি এবার চিৎকার করে বললেন, এই মিয়া কর কি, আমার মানি ব্যাগটা…।
হকার : (হাসতে হাসতে) ধরতে পারবেন না, ভাই। সব নিয়মাবলি বইটায় দেওয়া আছে। মনে রাখবেন, না বলেই নিতে হয় এবং কাজটা আকস্মিক করতে হয়!

তবে এ ধরনের ঘটনা সব সময় ঘটে না। সবার ক্ষেত্রেও ঘটে না। বইকেনা নিয়েও অনেক ক্রেতার বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এক ক্রেতা বইয়ের দোকানে গিয়ে বই দেখছেন। একটি চমৎকার প্রচ্ছদের বইয়ে পাঠকটির দৃষ্টি আটকে গেলে।

বই বিক্রেতা ক্রেতাকে উদ্দেশ করে বললেন, এই বইটা পড়লে হাসতে হাসতে মারা যাবেন।
ক্রেতা : তাহলে এক কপি দিন। আমার বসকে পড়তে দেব!
অপর এক ক্রেতার অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন। বইমেলায় এক স্টলে ঢুকে কিছু বই চাইলেন এক ভদ্রলোক। বিক্রেতা জানতে চাইলেন, কী রকম বই চাই, বলুন। হালকা কিছু?

জবাবে ভদ্রলোক বললেন, না না, ওজন নিয়ে আপনি মোটেও ভাববেন না। আমার সঙ্গে গাড়ি আছে ।
বইয়ের গুরুত্বও সবার কাছে সমান নয়। এক অফিসের বস অফিসে বসেই সাহিত্য রচনা করতেন। তার এক অধস্তন সহকর্মী একদিন বসকে গিয়ে বললেন, স্যার আপনি সারাক্ষণ এত মনোযোগ দিয়ে কী লিখেন?

বস বললেন, গল্প-উপন্যাস লিখি।
এবার অধস্তন কর্মীটি বললেন, এত কষ্ট করে রাত জেগে লেখার দরকার কী? কয়টা টাকা খরচ করলে তো বাজার থেকেই এগুলো কিনতে পারেন।

বই নিয়ে গল্প-কৌতুকের কোনো শেষ নেই। মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের পাঠাভ্যাস নিয়ে এক সময় বাজারে একটি গল্প খুব প্রচলিত ছিল। জর্জ বুশের হোয়াইট হাউস ত্যাগের সময় তার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র পরিবহনের জন্য ট্রাক এলো। প্রেসিডেন্টদের অনেক বই থাকে। ফলে বড় ট্রাকই বরাদ্দ। কিন্তু মাল পরিবহনের লোকজন বুশের স্টাডিতে গিয়ে হতভম্ব হয়ে গেলেন। পুরো স্টাডিজুড়ে পড়ে আছে শুধু দুখানা বই। একটা স্পোর্টস ম্যাগাজিন আর এক কপি হাসলার!

অপারেশন থিয়েটারে রোগী বেহালা বাজাচ্ছেন, চিকিৎসক ও নার্সরা পাশে আছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ তবে সবাই বুশের মতো নয়। পৃথিবীতে এমন অনেক রাজনীতিক আছেন যাদের প্রজ্ঞা, বিদ্যা ও জ্ঞানের গভীরতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। সাধারণভাবে রাষ্ট্রনায়কদের কাছে প্রজ্ঞা ও দার্শনিকতা প্রত্যাশা করা হয়। প্লেটো বলেছিলেন, তার আদর্শ রাষ্ট্রের প্রধান হবেন একজন দার্শনিক রাজা।

বলেছিলেন, দার্শনিকদেরই রাজা হতে হবে কিংবা রাজাকে দার্শনিক হয়ে উঠতে হবে। এখন যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন, তারা কোনো রকম লেখাপড়া ছাড়াই একেকজন ‘জ্ঞানী ও দার্শনিক’। আবার নাগরিকরাও এখন কোনো রকম পঠনপাঠনের অভ্যাস ছাড়াই একেকজন পণ্ডিত ও দার্শনিক। ‘বুক’ নয়, ‘ফেসবুক’ পড়েই, ফেসবুকে লিখেই সবাই ‘সবজান্তা শমসের’ সেজে বসে আছেন।
এই ‘সবজান্তা শমসের’-দের জয় হোক!

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: বই পড়া
Previous Post

পাবনায় কাভার্ড ভ্যান ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২

Next Post

‘এখন কি ভোটের চিন্তা করা লাগে?’

Next Post

‘এখন কি ভোটের চিন্তা করা লাগে?’

শিশুপ্রহর

শেষ সময়ে শিশুদের পদচারণায় জমজমাট বইমেলা

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
info@channelionline.com
online@channeli.tv (Online)
news@channeli.tv (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT