জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রশ্নপত্র যে ফাঁস হয়ে যায় সেখানে তিনি আটকে গেছেন। তবে এজন্য তিনি ফেসবুক বন্ধ করে দেয়ার কথা বলেননি বলে জানিয়েছেন।
পিইসি কিংবা জেএসসি পরীক্ষা থেকে শুরু করে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। মেডিকেল কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও বাদ যাচ্ছে না ফাঁসের কবল থেকে। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়াকে কেন্দ্র করে আন্দোলনও দেখেছে সাম্প্রতিক অতীত।
প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে সংসদে কিংবা সংসদের বাইরে বিভিন্ন সময় কঠোর হুঁশিয়ারী দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তবে তারপরও বন্ধ হয়নি প্রশ্নপত্র ফাঁস। এ কারণে সম্প্রতি পরীক্ষার সময় ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাগযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখার কথা আলোচিত হচ্ছে।
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিলো: প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কেন ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হবে?
জবাবে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আমরা ফেসবুক বন্ধ করে দেয়ার কথা বলিনি, সেই ক্ষমতাও আমাদের হাতে নেই। আমরা বলেছি, কিছু সময়ের জন্য হয়তো পরীক্ষা চলে সেই সময়ের জন্য ফেসবুক বন্ধ রাখা যায় কিনা। এখানে আমরা আটকে গেছি।
তিনি বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগে কিছু শিক্ষক প্রশ্ন খুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ফেসবুকে ছেড়ে দেন।এ কারণেই আমরা ওই সময়ের জন্য ফেসবুক বন্ধ রাখা যায় কিনা তা নিয়ে কথা বলেছি। এজন্য আমরা বিটিআরসি’র সঙ্গে কথা বলেছি। বিটিআরসিও আমাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, আগে বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হতো। সেটা বন্ধ করা গেছে। এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা দির্ঘদিন ধরে চলে তাই তা পাহারা দেওয়াও কঠিন কাজ বলে জানান তিনি।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:









