ম্যাচটা হাতছাড়া হচ্ছিল মাঝপথ পেরোনোর পরই। পরে খানিকটা পথ খুঁড়িয়ে মুম্বাইয়ের প্লে-অফের আশার পালে হাওয়া লাগে বেন কাটিংয়ের ঝড়ে। শেষ ওভারে সেই কাটিংই ক্যাচ দিয়ে ফিরলে টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে যায় ইন্ডিয়ান্সদের। ১১ রানে জিতে উল্লাস করেছে সবার আগে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া দিল্লি।
প্লে-অফের টিকিট পেতে শেষ ওভারে ১৮ রান দরকার ছিল মুম্বাইয়ের। প্রথম বলে ছয় হাঁকিয়ে সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেন কাটিং। পরের বলে তিনি ম্যাক্সওয়েলের তালুবন্দী হলে আর লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি ইন্ডিয়ান্সরা। ২ চার ও ৩ ছয়ে ২০ বলে কাটিংয়ের ৩৭ রান শেষঅবধি পরাজয়ের খাতাতেই।
রোববার ঘরের মাঠে টস জিতে আগে ব্যাটিং করে দিল্লি। রিশভ পান্টের ফিফটিতে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান তোলে ডেয়ারডেভিলসরা। ইন্ডিয়ান্সরা ৩ বল হাতে রেখেই ১৬৩ রানে গুটিয়ে গেছে।
শুরুতে এভিন লুইসের ৪ চার ও ৪ ছক্কায় ৩১ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে লড়াইয়ে ছিল মুম্বাই। কিন্তু কিষান ৫, পোলার্ড ৭, রোহিত ১৩, ক্রুনাল ৪ রানে ফিরলে ধাক্কা খায় সফরকারীরা। হার্দিকের ১৭ বলে ২৭ এর পর কাটিংয়ের ইনিংসে সম্ভাবনা জাগলেও জয় ছোঁয়া হয়নি ইন্ডিয়ান্সদের।
এর আগে বাঁচা-মরার ম্যাচে মোস্তাফিজকে নিয়ে নামে মুম্বাই। টানা ৬ ম্যাচ খেলে একাদশের বাইরে ছিটকে যাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান ফিরে উইকেটের দেখা পাননি। টাইগার বাঁহাতি পেসার ৪ ওভারে খরচ করেছেন ৩৪ রান।
মোস্তাফিজের ফেরার দিনে ক্রুনাল পান্ডিয়া দারুণ বল করেছেন, ২ ওভারে ১১ রানে এক উইকেট। বুমরাহ ৪ ওভারে ২৯ রানে একটি উইকেট পান।
পান্ট ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন ৪৪ বলে, ৪টি করে চার-ছক্কায়। ম্যাক্সওয়েল ২২ রান করেন। শেষদিকে ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা ও বিজয় শঙ্কর। ১০ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন শর্মা। আর ৩ চার ২ ছয়ে ৩০ বলে অপরাজিত ৪৩ রানের অবদান শঙ্করের।
শনিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে কেকেআর প্লে-অফে চলে যায়, ১৬ পয়েন্টে তারা থাকছে টেবিলের তিনে। হায়দরাবাদ ১৮ পয়েন্টে আগেই শীর্ষে আছে। ১৬ পয়েন্টে দুইয়ে চেন্নাই। তারা শেষ ম্যাচে খেলবে পাঞ্জাবের বিপক্ষে। রাজস্থান রয়্যালসের ১৪ পয়েন্ট, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ১২ পয়েন্ট। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচের পরই প্লে-অফে কে কার প্রতিপক্ষ নিশ্চিত হবে।









