অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হওয়ার পর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী প্রথম যে কয়েকটি জায়গায় আক্রমণ করেছিলো সেগুলোর মধ্যে জগন্নাথ হল ছিলো অন্যতম।
হামলার পর হলের আশপাশে যারা বেঁচে ছিলেন তাদের এনে জড়ো করা হয়েছিলো হলের মাঠে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতায় তাদের অনেক নৃশংসভাবে মৃত্যু হয়েছিলো।
জগন্নাথ হলের পাশে শিববাড়ি এলাকায় ছিলো মধুর ক্যান্টিনের মধুদাসহ তার পরিবারের বসবাস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী তাকে নৃসংশভাবে হত্যা করে। তখন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান শহীদ মধুসুধন দে’র ছেলে অরুণ দে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হল বর্তমান জহুরুল হক হলেও চলে এমন বর্বর হত্যাকাণ্ড। স্বাধীনতা আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছাত্রনেতারা এখানে থাকতেন বলে অপরাশেন সার্চ লাইটের লক্ষ্য ছিলো এই হলগুলো।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:
https://youtu.be/PU1m-MjxNW4









