জাতীয় কর্ম কমিশনের মতো (পিএসসি) বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ দিতে বেসরকারি শিক্ষক নির্বাচন কমিশন, এনটিএসসি গঠিত হচ্ছে। এই কমিশন গঠিত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির একচ্ছত্র কর্তৃত্ব থাকবে না এবং নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়ম কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার।
কমিশন শূন্য পদের হিসাব করে পরীক্ষা নিয়ে প্রার্থী বাছাই করবে। সেখান থেকে মেধা তালিকা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা- ২০০৬ সংশোধন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ নতুন কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যেই এ কমিশন গঠিত হবে। বেসরকারি শিক্ষক নির্বাচন কমিশন হবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ। এতে সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। কমিশন মাঠ পর্যায় থেকে শিক্ষকের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষক নির্বাচন করে দেবে।
প্রস্তাবিত নিয়মে প্রথমে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করবে কমিশন। এরপর কমিশন পরীক্ষা নেবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়ে উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় মেধা তালিকা করা হবে। ওই তালিকার মধ্য থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
বর্তমানে যারা নিবন্ধিত হয়ে আছেন, তাদেরও আগামী তিন বছর পর্যন্ত একটি সুযোগ দেওয়া হবে।






