ডিফেন্সিভ ফুটবল খেলেও এশিয়ান গেমসে নর্থ কোরিয়ার বিপক্ষে ১-৩ গেলে হেরে গেছে বাংলাদেশ।
আগের ম্যাচে কাতারকে হারিয়ে এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শেষ ষোলোতে ওঠে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। গতবারের রানার্সআপ নর্থ কোরিয়ার গোছানো ফুটবলের কাছে হেরে নকআউট পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
এদিন ১৩ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যায় নর্থ কোরিয়া। বক্সের ভেতর সুশান্ত ত্রিপুরার হাতে বল লাগলে বাঁশি বাজান রেফারি। কিম ইউ-সং পেনাল্টি নিতে আসেন। নিজের ডানদিকে বল রাখেন। গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা সেদিকে ডাইভ দিলেও নাগালে পাননি।
৩২তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় বাংলাদেশ। বক্সের কিছুটা দূরে ফ্রি-কিক ছিল। বাতাসে ভাসানো বলে হেড করেন ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। অল্পের জন্য সেটি বাইরে দিয়ে চলে যায়।
৩৮তম মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে কোরিয়া। বক্সের ভেতর থেকে কুক-বোম কিম বল ছাড়েন ইয়ং থে হ্যানকে। কেউ তাকে মার্কে রাখেননি। গোলরক্ষকের কাছ থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান।

০-২ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ মিনিটে তৃতীয় গোল দেয় নর্থ কোরিয়া। বদলি খেলোয়াড় জং হিওং সো বক্সের ভেতর থেকে বল দেন ক্যাঙ কুক চুয়েলকে। আগুয়ান চুয়েলকে বাংলাদেশের ডিফেন্ডার পেছন থেকে ধাক্কা দিলে মাটিতে পড়ার আগে বলে পা লাগান। সেটি জড়িয়ে যায় জালে।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে বাংলাদেশ এক গোল শোধ দেয়। জামাল ভুঁইয়ার নেয়া কর্নার থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে যান সাদ উদ্দিন। বুক সমান বলে পা লাগিয়ে জাল খুঁজে নেন তিনি।
বাংলাদেশ কখনো নর্থ কোরিয়াকে হারাতে পারেনি। ১৯৮০ সালের দিকে তাদের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তাতে দুটি হার, একটি ড্র।
নর্থ কোরিয়ার জাতীয় দল র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের থেকে এগিয়ে। দেশটি আছে ১০৮তম স্থানে, বাংলাদেশ ১৯৪তম।









