অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ’র দুর্বার ব্যাটিংয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ছয় উইকেটে হারিয়ে অসাধারণ এক জয় তুলে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে খুলনা টাইটান্স। ঢাকার দেওয়া ১৫৯ রানের লক্ষ্যে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ’র বীরোচিত ব্যাটিংয়ে ১২ বল বাকি রেখে ও চার উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় খুলনা।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৮ বলে পাঁচটি জয় ও দুটি ছয়ে ৫০ রান করে মেহেদি মারুফের এক অসাধারণ ক্যাচে ড্রেসিং রুমে ফেরেন।
ঢাকার বোলারদের মধ্যে রবি বোপারা দুটি উইকেট নেন।
ডু অর ডাই ম্যাচে জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে সাকিবের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ফ্লেচার। ফলে চাপের মুখে পড়ে যায় খুলনা। শুরুতেই উইকেট হারানোর পর খোলসবন্দী হয়ে পড়েন হাসানুজ্জামান ও মজিদ।
তবে চতুর্থ ওভার থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেন হাসানুজ্জামান। সাকিব ওই ওভারে ছক্কা মেরে খুনে মেজাজে ফেরা শুরু করেন। এরপর বেটনের করা পঞ্চম ওভারে চার হাঁকিয়ে খুলনা শিবিরকে উজ্জীবিত করেন হাসানুজ্জামান।
নিজের তৃতীয় ওভারেও হাসানুজ্জামানের ঝড়ের সামনে পড়েন সাকিব। ঢাকার অধিনায়কের করা ওভারের চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকানোর পর শেষ বলে মারেন চার। এরপর সেকুগে প্রসন্নর করা অষ্টম ওভারে ছক্কা হাঁকিয়ে খুলনাকে চাঙা করেন দলটির এই ওপেনার।
নবম ওভারে রবি বোপারা আক্রমণে এনে হাসানুজ্জামানের ‘ঝড়’ থামান। বোপারার ওভারের প্রথম বলে লং-অনে বেটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন হাসানুজ্জামান।মাত্র ১৯ বলে তিনটি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে ৪০ রান করেন তিনি। এর আগে মজিদকে নিয়ে ৫২ রানের জুটি বাঁধেন হাসানুজ্জামান।
এরপর মজিদ ও মাহমুদউল্লার ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে খুলনা। ৪৬ রানের জুটি গড়ে দলীয় ১০৭ রানে প্যাভিলনে ফেরে মজিদ (২১)।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে বেনি হোওয়েল ও মাহমুদউল্লাহ’র ৪৪ রানের জুটি খুলনার জয় তরান্বিত করে।জয় থেকে সাত রান দূরে মাহমুদউল্লাহ আউট হয়ে গেলেও হোওয়েল ও পুরান দলের জয় নিশ্চিত করেন।
এর আগে টস হেরে সাঙ্গাকারার ৫৯ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে ঢাকা।
খুলনার বোলারদের মধ্যে জুনায়েদ খান তিনটি উইকেট নেন।









