আগারগাঁও-এ নির্মাণাধীন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের জন্য তহবিল সংগ্রহে ‘হাঁটি এক মাইল’ কর্মসূচি পালন করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
আয়োজকরা বলছেন, এ ধরণের কর্মসূচি নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আরও সচেতন করবে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ৩৬ মাইলের পথ, গত ৩ বছর ধরে স্বাধীনতা দিবসে পায়ে হেঁটে দীর্ঘ এ পথ পাড়ি দেন অভিযাত্রী দলের সদস্যরা।
পদযাত্রায় অংশ নিতে ভোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়েছিলেন তারা। ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর নির্মাণে হাঁটি এক মাইল’ শীর্ষক তহবিল সংগ্রহের কর্মসূচি এবারের পদযাত্রাকে নতুন দিয়েছে মাত্রা।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মুফিদুল হক বলেন, এই শক্তিই তো জাতির মধ্যে প্রবাহিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই শক্তির জন্যই মুক্তিযোদ্ধারা অকাতরে প্রাণ দিয়েছে। যে পথ দিয়ে আমরা হেঁটে যাবো সেখানেই রয়েছে শহীদদের রক্তরেখা। রক্তের দাগ মুছে যায়, রক্তের স্মৃতি মোছে না।
নূন্যতম ১ হাজার টাকার অনুদান দিয়ে অনেকেই পদযাত্রায় যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণের অংশীদার হতে। শুরুতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের বদ্ধভূমিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, আমরা দিনটিতে শুধু শোক ধরে রাখতে নয় বরং তা থেকে শক্তি অর্জন করতে চেয়েছি। এবং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে চেয়েছি।
একাত্তরের স্মৃতিবিজড়িত সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সামনে দিয়ে পদযাত্রী দল এগিয়ে যায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের দিকে।
শহীদ স্মারক আসাদগেট তোরণে কিছুটা বিরতি দিয়ে অভিযাত্রী দল মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযাত্রী দল এগিয়ে যায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে।






