চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

তবে কি গরিবের ভাষা হয়ে টিকে থাকবে বাংলা?

চিররঞ্জন সরকার by চিররঞ্জন সরকার
11:42 অপরাহ্ন 19, ফেব্রুয়ারি 2016
in মতামত
A A

বসন্ত এসেছে। বাংলা ভাষার গায়ে বসন্তের ফুরফুরে বাতাস লেগেছে, তা অবশ্য বলা যাবে না। বরং চারদিকের পরিবেশ-পরিস্থিতিতে বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

যাদের বয়স কম তারা ভবিষ্যতে কোন ভাষা বেশি ব্যবহার করবে তার ওপরেই ভিত্তি করে গড়ে ওঠে ভাষার ভবিষ্যৎ। আমাদের দেশে উঠতি মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা কিন্তু ক্রমেই বাংলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ তাই নির্ভর করছে পাঁচ থেকে পঁয়তাল্লিশ-এর মধ্যবর্তী বাঙালিরা ভাষা নিয়ে কী ভাবছেন তার ওপর।

এই পাঁচ থেকে পঁয়তাল্লিশ নানা অর্থনৈতিক শ্রেণির অন্তর্গত, ঊর্ধ্বসীমার দিকে যারা আছেন সেই পঁয়ত্রিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ হলেন এখনকার কমবয়সী বাবা-মা। তবে যে অর্থনৈতিক শ্রেণিরই অন্তর্গত হন না কেন, সকলেই কম-বেশি স্বপ্ন দেখেন, নিজেদের ছেলেমেয়েকে ভালো করে পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষ করবেন। এই স্বপ্নে ভাষার একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

আগে স্কুল-কলেজগুলোতে বাংলাভাষাতেই লেখাপড়া হতো। এখনও হয়। তবে ইংরেজি দিন দিন তার আসন পাকাপোক্ত করে নিচ্ছে। মুক্তবাজার অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শিক্ষাও অর্থকরী বিষয়ে পরিণত হয়েছে। যাদের টাকা আছে তারা ভালো-স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। আর বর্তমানে ‘ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ মানে হচ্ছে ইংরেজি প্রধান শিক্ষা। গরিবরা পড়ছে সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। আর তুলনামূলক ধনীরা পড়ছে ইংরেজি প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এভাবে এই দুই শ্রেণির শিক্ষা, বুঝ, চিন্তা, মূল্যবোধ, স্টাইল-সব কিছুই আলাদা হয়ে যাচ্ছে। 

ক্রমেই ইংরেজিবিহীন সহজ বাংলা মিডিয়ামের প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্তদের। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের রমরমা ব্যবসা চলছে। ধনী পরিবারের সন্তানদের মধ্যে বাংলা ভাষার ব্যবহারযোগ্যতা কমেছে। যাদের বয়স পঁয়ত্রিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ, সেই অভিভাবকরা কিন্তু ইচ্ছে থাকলেও এখন ছেলেমেয়েদের বাংলা মাধ্যমে পাঠাতে পারেন না। কারণ ভালো বাংলা মিডিয়াম স্কুল প্রায় নেই। ফলে ইংলিশ মিডিয়াম অনিবার্য ভবিতব্য হয়ে উঠছে। 

আমাদের দেশে উচ্চবিত্তদের একটা অংশ দলে দলে ইউরোপ-আমেরিকায় পাড়ি জমাচ্ছেন। বাংলা ভাষার সঙ্গে তাদের ছেলেমেয়েদের যোগ কমছে। এভাবে দেশে স্পষ্ট দুইটি শ্রেণি গড়ে উঠছে। যারা অর্থনৈতিকভাবে সবল তারা ইংরেজি চর্চা করছেন। আর গরিব চাষা-ভূষারা বাংলা নিয়ে পড়ে আছেন। ব্যবসা-চাকরি সবখানে ইংরেজি জানাদের আধিপত্য, কদর। বাংলাওয়ালাদের জন্য ব্লগ আর ফেসবুকে হতাশার পদ্য রচনা ছাড়া আপাতত তেমন কোনো পুরস্কার নেই!

সত্যিকার অর্থে বাংলা ভাষার অবস্থা আজ বড়ই করুণ। এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের বাংলা উচ্চারণের দশা অত্যন্ত করুণ। কে যে কী অ্যাকসেন্টে বাংলা বলে! সেই বিচিত্রবাদিনী রাত্রিদিন বাংলা ব্যান্ড, বাঙালির এফ এম, বাঙালির চ্যানেলে নৃত্য করছে। একটা বাংলা শব্দ তো সাতটা ইংরেজি। ক্রিয়া পদের মাথামুণ্ডু নেই। মিসড কল মারে, আদর পায়, হ্যাপি থাকে। বানানের কথা বেশি না বলাই ভালো। বাংলা বই পড়ার বালাই নেই। সুতরাং- গো, ওয়েন্ট, গন। বাংলা ক্রমেই চাষা-মজুরের ভাষায় পরিণত হচ্ছে। ভদ্রলোকেরা বাংলাকে ক্রমে টা-টা জানাচ্ছেন। বাংলা ইলেকট্রিক চুল্লিতে গন গনাগন হতে চলেছে। এ যেন নেভার রিটার্ন! যে ভাষা না জানলে চাকরি হয় না, ব্যবসা হয় না, বিদেশে যাওয়া যায় না, সেই ভাষা নিয়ে মেতে থাকবে কোন আহাম্মক? যাদের কিছু করার নেই তাদের কথা আলাদা। কিন্তু যাদের সাধ আছে, সাধ্য আছে, তারা কেন ‘বাংলার গান’ গেয়ে যাবে?

‘একুশের প্রথম প্রভাতফেরি-অলৌকিক ভোর’ রক্তে রাঙানো সেই সূর্যোদয়ের গাঁথা কি এখন আর সত্যিই বাঙালিকে দোলা দেয়? বিশ্বায়িত দুনিয়ার নয়া ট্রেন্ড-বাঙালি গ্লোবাল হচ্ছে। সেই সঙ্গেই বদলে যাচ্ছে ভাষার বিন্যাস। মাতৃভাষা থোড়াই কেয়ার, ‘বাংলিশ’ (বাংলা ২০ শতাংশ ও ইংরেজি ৮০ শতাংশ) এর এখন একাধিপত্য। আর অদ্ভুত কিছু বাংলা খিস্তি যার দারুণ কদর। এই ট্রেন্ড দেখে গুলিয়ে যেতে শুরু করে নিজের অস্তিত্ব।

যদিও বাংলাকে নিয়ে মুখে মুখে গর্ব করার লোকের এখনও অভাব নেই। কিন্তু বাস্তবতা কী বলে? ইংরেজি না জানলে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কারোর ভাত নেই। তাহলে মরার বাংলা নিয়ে পড়ে থাকতে যাবে কোন দুঃখে? এখন এমন মানুষও দেখা যাচ্ছে, যারা বলছেন, ‘বাংলাটা ঠিক আসে না’ বা ‘আমার ছেলেমেয়েরা বাংলা পড়তে বা লিখতে জানে না’। ঔপনিবেশিক শাসনকর্তাদের ভাষাটাকে নিজের মনে না করলে আর কোনও থই পাওয়া যাবে না! যুগধর্মকে অগ্রাহ্য করে খামোখা বেকারত্বের বোঝা বয়ে বেড়াতে কে চায়?

এখন এই কম্পিউটার-স্মার্টফোন-ইন্টারনেটের যুগে, ইংরেজির মতো শক্তিশালী ভাষা কমই আছে। কারণ এই সব মাধ্যমে কাজ করতে গেলে আপনাকে ইংরেজি কিছুটা জানতেই হবে৷ ফলে, এলিট ক্লাস হোক আর আটপৌরে বাঙালি, কিছুটা বিভ্রান্তও বটে৷ কারণ বাংলা যদি ক্রমশ পিছিয়েই পড়ে, তা হলে সেটাকে আঁকড়ে থেকে লাভ কী! আর বই যদি ইংরেজিতেই পড়তে হয়, তা হলে তাতে লিখলেই বা ক্ষতি কী! না, বাঙালির ইংরেজি জানা নিয়ে বা তাতে পড়াশোনা করা নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। থাকতেই পারে না। এখানে প্রশ্নটা বিকল্পের। অর্থাৎ যদি কেউ চায় বাংলাকে অবলম্বন করতে, সে ক্ষেত্রে কী সুযোগ থাকবে তার কাছে? খুবই সীমিত তা।

সে জন্য তাকে নিজেকেই চেষ্টা করতে হবে। বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই খুব ভালো করে বুঝতে হবে ইংরেজিকেও। দু’টো ভাষাকে মিশিয়েই মাতৃভাষায় শিক্ষাচর্চা করতে হবে। শুধু বাংলা নির্ভরতা থাকলে কিন্তু একটা সময় পর কানাগলিতে ধাক্কা খাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সে জন্য নিজের ভাষাকে বিসর্জন দেওয়ার মতো যে সর্বনাশের খেলায় আমরা ক্রমশ মেতে উঠেছি, তা হলে কি সেই ভাষাকে বাঁচানোর রসদ আমরা কোথায় পাব?

আসলে আর্থ-সামাজিক-রাষ্ট্রীয় শক্তিতে সংখ্যাগুরু সব ভাষা-ভাষীদের দ্বারাই অপরাপর অপেক্ষাকৃত দুর্বল গোষ্ঠী (জনসংখ্যা-আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক নিরিখে) শিকার হয়। আমরা ইংরাজি দ্বারা নিয়মিত পিষ্ট হই এ কথা যেমন সত্য, তেমনই আমরা বাংলাভাষীরা সাঁওতালি, খাঁসি, চাকমা, মুণ্ডাসহ আদিবাসী ভাষা-ভাষীদেরকে কি কখনও প্রাপ্য স্বীকৃতিটুকু দিয়ে থাকি? প্রকৃতপক্ষে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর অধিকারী বহু ভাষা এই অসম লড়াইয়ে হেরেছে অবিরত৷ নতুন শাসকশ্রেণির কাছে বহু সময় নতুন ভাষা গুরুত্ব পেয়েছে, কিন্তু তাতে সব ভাষা-ভাষী পুষ্ট হয়নি।

কিছু স্লোগান, কিছু প্রচারসর্বস্ব কর্মসূচিতে ভাষার বিলোপকে রোখা সম্ভব নয়। প্রত্যেকের মাতৃভাষার অধিকার ও বিকাশকে অন্তর থেকে স্বীকার করতে পারলে, বৈচিত্রকে শক্তি এবং সৌন্দর্য হিসাবে স্বীকার করতে না পারলে তাহলে বিশ্বব্যাপী বহু ভাষা, বহু ভাষা-ভাষী রক্ষা পায়। নচেৎ নয়।

বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে। আমাদের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষাকে রক্ষার জন্য যেমন ইতিবাচক মানসিকতা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি বাংলাকে কীভাবে বড়লোক-গরিব সবার প্রাণের ভাষায় পরিণত করা যায়, তা নিয়ে ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ প্রয়োজন। বাংলা ভাষা নিশ্চয়ই মরবে না। তেমন কোনো আশঙ্কা আপাতত দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু শুধু গরিব-মেহনতি মানুষের ভাষা হয়ে বাংলা টিকে থাকলে কী লাভ? যারা বাংলা বর্জন করে ইংরেজি শিখবে কিংবা বাংলা কম জানবে, তারাই যদি শাসক-প্রশাসক-সংস্কৃতির ধ্বজাধারী হয়, তাহলে তো ভবিষ্যৎ ইতিহাস অন্যরকম হতে বাধ্য। 

বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার আলো, বাংলার বায়ুতে আমাদের জন্ম, জীবন, মৃত্যু। আত্মশক্তি ও দেশীয় সম্পদ অবলম্বন করে বাইরের জগৎ থেকে প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী পুষ্টি; গ্রহণ করে আমরা আমাদের সত্তাকে এবং দেশকে সমৃদ্ধ করব- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নিজেদের নৃতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক পরিচয় পরিত্যাগ করে যখন আমরা বিদেশি-বিভাষী-বিজাতি হয়ে উঠতে চাই, তখন কি আমরা ঠিক কাজ করি?

আমরা চাইলে এবং চেষ্টা করলে বাইরের জগৎ থেকে গ্রহণ করে অবশ্যই আরো উন্নত বাঙালি হতে পারব। কিন্তু আত্মপরিচয় ত্যাগ করে, পশ্চিমা আধিপতবাদীদের মগজধোলাই প্রক্রিয়ায় আত্মসমর্পণ করে, তাদের চাপিয়ে দেয়া ‘উন্নয়ন মডেল’ অনুযায়ী চলে আমরা কি মোক্ষলাভ করতে পারব? নীতিনির্ধারদের আজ এই প্রশ্নটির সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: একুশে ফেব্রুয়ারিবাংলা ভাষাভাষা আন্দোলন
Previous Post

তবে কি গরিবের ভাষা হয়ে টিকে থাকবে বাংলা?

Next Post

আগে নিজের ভাষা তারপর অন্য ভাষা: প্রধানমন্ত্রী

Next Post

আগে নিজের ভাষা তারপর অন্য ভাষা: প্রধানমন্ত্রী

আগে নিজের ভাষা তারপর অন্য ভাষা: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT