চট্টগ্রামের ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট, ডিএপি সার কারখানায় বিস্ফোরণে কয়েক বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দেয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোমবার রাতে ডিএপির রিজার্ভ ট্যাংক ফেটে মজুদ করা অ্যামোনিয়া আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাস নিঃসরণে কর্ণফুলি নদীর দুই পাড়ে কয়েক কিলোমিটার এলাকার শত শত নারী পুরুষ আক্রান্ত হন। বিরূপ প্রভাব পড়েছে ওই এলাকার পরিবেশ, গাছপালা এবং মৎস্য প্রকল্পে।
ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকজন চাষী জানান, শুধু ডিএপির অব্যবস্থাপনার কারণে তাদের কোটি টাকার মাছ নষ্ট হয়ে গেছে।

ডিএপি কারখানাটি আন্তর্জাতিক মানের এবং এ কারখানাটিতে নিয়মিত পরিবেশ ডাটা মনিটরিং করা হতো বলে দাবী করেছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল।
তিনি বলেন, যখনই এই রকম কোনো দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি সে অবস্থায় আমরা কখনোই প্রতিবেশিদের ছেড়ে যাইনি। এবারও যাব না।
বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন। তিনি বলেন, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে মৎস চাষে তাদের জন্য আমরা সরকারের কাছে সুরপাশি করবো।
গ্যাস বিস্ফোরণে আক্রান্ত ৪১জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।









