দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে অষ্টম দিনের মতো বৃহস্পতিবারও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক না হওয়াতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা লোকসান হয়েছে বিআইডব্লিউটিসির। অষ্টম দিনের মতো বৃহস্পতিবারও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক না হওয়াতে প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের উপর।
বিআইডব্লিউটিসি কাওড়াকান্দি ঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করে। আগে প্রতিদিন শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি দুই পাড়ে ২৮-৩০ লাখ টাকা আয় হতো। এখন দেড় থেকে দুই লাখ টাকায় নেমে এসেছে।
বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএ’র পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর রুটি-রুজি এখানে জড়িত। আরও ১৫০০ লোক ঘাটের বিভিন্ন পেশার নিয়োজিত। এ ছাড়া টানা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় প্রায় আড়াই কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।
এই রট ব্যবহার করে ২১ জেলার নিত্য প্রয়োনীয় পণ্য পরিবহন করা হয়। ফেরি চলাচল ব্যহত হওয়ায় গতকয়েক দিনে মাদারীপুরের বিভিন্ন বাজারে বাড়তে শুরু করেছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, গত সপ্তাহে ডালের দাম ছিল ৮০ টাকা এখন দাম বেড়ে হয়েছে ১০০ টাকা। এছাড়াও খোলা সয়াবিন তেলের দাম ছিল ৮৫ টাকা প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৫ টাকা।
মাদারীপুর পৌরসভার বাজার পরিদর্শক শফিকুর রহমান জানান, ফেরি চলাচল অস্বাভাবিক হওয়ার কারনে পৌরবাজারে কাঁচামরিচের দাম প্রতি কেজি ১৮০ টাকা এবং পেয়াজের কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ নৌরুটে পদ্মা নদীর নাব্য সংকট ও তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। কেবল কে টাইপ ফেরি ক্যামেলিয়া ও কুসমকলিই শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে চলাচল করতে পারছে। অন্য ফেরি চলাচল না করায় কাওড়াকান্দি ঘাট এলাকায় ৭ শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে মালবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি।






