শিশুদের জনপ্রিয় রঙিন খেলনা সামগ্রী ‘স্লাইম টয়’ বানাতে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। চকচক দেখাতে অতিরিক্ত পরিমাণে বোরণ নামের একটি রাসায়নিক মৌল ব্যবহার করা হয় এখানে।
এক গবেষনায় পাওয়া গেছে, মাত্রার চেয়ে চারগুন বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে এই বোরণ নামের মৌল। এমনকি বলা হচ্ছে, ইউটিউবে শিশুরা এই খেলনা তৈরির নানা প্রক্রিয়া দেখতে দেখতে বুদ হয়ে থাকছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজার ধরে রাখতে এ ধরনের পণ্য বানাতে ব্যবহার করা হয় রঙ, যাতে পাওয়া গেছে ক্ষতিকারক বোরণ। ফলে ওই পণ্যে ব্যবহারে ছড়িয়ে যাচ্ছে বোরক্স নামক রাসায়নিক দ্রব্য। মাত্রাতিরিক্ত এই পণ্য ব্যবহারে অনেক সময় স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির পাশাপাশি প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকতে পারে।
এক অনুসন্ধানে দেখা যায়, স্লাইম খেলনার ১১টি জনপ্রিয় নমুনা পরীক্ষা করে উচ্চ মাত্রার বোরণের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যা শিশুদের জন্য অনিরাপদ।
এ ধরনের রাসায়নিক মাত্রা থেকে অতিমাত্রায় ডায়রিয়া, খিটখিটে ভাব, বমি এবং স্বাস্থ্যহানী হতে পারে। এছাড়া অতি মাত্রার বোরনে অনুর্বর হতে পারে নারীর প্রজনন ক্ষমতাও।
তবে ২০১৭ সালে প্রথম বিশাল আকারে জনপ্রিয়তা লাভ করতে থাকে ‘স্লিমি টয়েস’। ইউটিউবে ডিআইওয়াই (DIY) স্লিমি তৈরির ভিডিও লাখ লাখ শেয়ারে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে।
ক্ষতির কথা চিন্তা করেই লাভজনক অনলাইন বিক্রয় প্রতিষ্ঠান আমাজন তাদের ওয়েব সাইট থেকে এই খেলনা বিক্রয় বন্ধ করে দিয়েছে।










