ইশিকা খান অভিনীত কয়েকটি ধারাবাহিক নাটক একসঙ্গে প্রচারিত হয়েছে। নিয়মিত ছিলেন খণ্ড নাটকে। দেখা গেছে মডেলিং ও উপস্থাপনায়ও। বিয়ের পরেও ব্যস্ত ছিলেন কাজে। মাঝে চলে যান যুক্তরাজ্যে, শ্বশুরবাড়িতে। সেখানেই ছেলে কিয়ান মোহাম্মদ খানের জন্ম হয়। ছেলের বয়স পাঁচ মাস। গত ১৩ এপ্রিল ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফেরেন তিনি।
এরপর একের পর এক কাজের প্রস্তাব আসতে থাকে। কিন্তু সন্তানকে সময় দেওয়ার জন্য কাজ থেকে দূরে থাকেন। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছেন উপস্থাপনায়। মাছরাঙা টিভিতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আর বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ত্রিদেশীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করতে দেখা যাচ্ছে তাকে। কাজ করছেন ঈদের এক পর্ব ও ছয় পর্বের ছোট ধারাবাহিকে। তবে দেখা যাবে না কোনো মেগা ধারাবাহিকে। এ ব্যাপারে চ্যানেল আই অনলাইনকে ইশিকা বলেন, ‘কয়েকটি ধারাবাহিকে কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু এই মুহূর্তে কাজ করতে চাইছি না। আরও কয়েক মাস গেলে তবেই ধারাবাহিকে কাজ করব।’
ধারাবাহিকের জন্য নিজেকে ফিট মনে করছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি ফিট আছি। অনেকেরই ডেলিভারির পর ওজন বেড়ে যায়। আমার ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। সন্তান জন্ম দিয়েও ওজন বাড়েনি। শুধুমাত্র ছেলেকে নিবিড়ভাবে সময় দেওয়ার জন্য বড় ধারাবাহিকে কাজ করছি না।’
ওজন না বাড়ার কোনো রহস্য নেই জানিয়ে ইশিকা বলেন, ‘আমার কেন ওজন বাড়ে না তা জানি না। আমি খুবই খাদক টাইপের মেয়ে। তিন বেলা ভাত খাই। ভাত না খেলে মনে হয় পাগল হয়ে যাব। তারপরও ওজন বাড়ে না।’
ইশিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত। ইন্সটাগ্রামে তার পাঁচ লাখ ফলোয়ার। ফেসবুকেও ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় চার লাখ। এত ফ্যান ফলোওয়ার সামলান কীভাবে? বললেন, ‘কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফেসবুক ইন্সটাগ্রামে ঢুঁ মারি। ভক্তরা কে কী লিখল সেটা দেখি। ভক্তদের কমেন্টসে লাইক দেই। কমেন্টের উত্তর দেই। আমি মনে করি আমাকে যারা ভালোবাসেন, তারা এসবে উৎসাহ পান। শুধু উৎসাহই না, যারা আমাকে নিয়মিত ফলো করেন, এইটুকো তাদের প্রাপ্য বলে আমি মনে করি।’










