এখন থেকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে কোন বার্তা কিংবা ভিডিও পাঁচবারের বেশি ফরোয়ার্ড করা যাবে না। হোয়াটসঅ্যাপে ছড়ানো গুজবে এবছর ভারতে ২৪টি হত্যাকাণ্ডের পর এই নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।
এক ব্লগ পোস্টে এই নিয়ন্ত্রণ আরোপের কথা জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে এই নিয়ন্ত্রণ আরোপ হতে যাচ্ছে ভারতে। কারণ বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে ভারতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ভিডিও ও ম্যাসেজ ফরোয়ার্ড করা হয় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে।
এছাড়া অ্যাপটির মিডিয়া ম্যাসেজের পাশে থাকা কুইক ফরোয়ার্ড অপশনটিও তুলে নিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।
শুধু ভারতেই নয় বিশ্বজুড়ে ম্যাসেজ ফরোয়ার্ডে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বৈশ্বিক ম্যাসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে উত্তেজনা উস্কে দিচ্ছে এমনকি বিজেপি, কংগ্রেসের মতো দলগুলোও বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদ-তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপের এই পদক্ষেপকে বড় ধরণের পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ বিশ্বের ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন মানুষ এই অ্যাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা চালাচালি করে।
এ বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মুখপাত্র কার্ল অং বলেন: আশা করি এসব পরিবর্তন প্রতিনিয়ত পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ যে উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে তা বজায় থাকবে।
ব্যক্তিগত বার্তা, অনুভূতি প্রকাশের সহজ মাধ্যম হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের কথা থাকলেও ভারতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে ইচ্ছামত এই অ্যাপটি ব্যবহার করছে।
শুধু ভারত নয় বিশ্বজুড়েই হোয়াটসঅ্যাপে গুজব আর বানোয়াট খবরের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে। তবে অন্যান্য দেশের চেয়ে ভারতে এসবের নেতিবাচক প্রভাব খুব বেশি। কারণ প্রযুক্তিগত শিক্ষার আগে সাধারণ শিক্ষার অভাব, অশিক্ষিত ব্যবহারকারীদের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার বেড়েছে।
দেশটিতে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়ানো গুজবের ভিত্তিতে অপহরণকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে মানুষ হত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে।









