কপটিক খ্রিস্টানদের বহনকারী বাসে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৮ জনের মৃত্যুর জবাবে জঙ্গি প্রশিক্ষণ স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে বলে মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসি জানিয়েছেন।
দেশটির সৈন্যরা প্রতিবেশী দেশ লিবিয়ার দেরনা শহরে মোট ৬টি স্থানে হামলা চালিয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে ।
শুক্রবারের হামলার সাথে লিবিয়ার জঙ্গিরা জড়িত বলে সেনাবাহিনীর একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে। যদিও কোন গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
ন্যাটোর নেতৃত্বে সামরিক অভিযানে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়ায় সশস্ত্র জঙ্গিরা বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি করে। আইএস জঙ্গিরাও সেখানে তাদের কার্যক্রম চালায়।
এই হামলার আগেও মিশর লিবিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছে। ২০১৫ সালে জঙ্গিরা ২১ জন মিশরীয় খ্রিস্টানের শিরশ্চেদের ভিডিও প্রকাশের পর সেনাবহিনী লিবিয়ার দেরনা সহ বেশ কয়েকটি স্থানে হামলা চালায়।
সর্বশেষ এই হামলার বিষয়ে টেলিভিশনে দেয়া বক্তব্যে সিসি বলেছেন, জঙ্গি আস্তানা যেখানেই হোক হামলা চালাতে তার দেশ পিছপা হবে না। দেশে সন্ত্রাসবাদে সহায়তাকারীদের সাজা পেতে হবে। শয়তানদের হাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করা হবে। এজন্য তিনি মার্কি ন প্তারেসিডেন্রট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগিতা চেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
সিসির ভাষণের কিছু পরে হোয়াইট হাউজ থেকে একটি বিবৃতি দেয়া হয়। বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট সিসি ও মিশরের মানুষের পাশেই আছে।
মিশরে সম্প্রতি খ্রিস্টানদের ওপর কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলার জন্য ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসকে দায়ী করা হয়।
গত ৯ এপ্রিল টানটা এবং আলেকজানিদ্রয়ায় দুটি বোমা হামলায় কমপক্ষে ৪৬ জন নিহত হয়।









