প্রচণ্ড গরমে সারাদেশের মানুষের যখন হাঁসফাঁস অবস্থা গেছে, তখন ঢাকার মাঠে চলেছে প্রিমিয়ার লিগ। মাথার উপর গনগনে সূর্য রেখে দিনভর ১০০ ওভারের ম্যাচ খেলেছেন ক্রিকেটাররা। সুপার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো হয়েছে ভয়াবহ তাপদাহের মাঝেই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ থাকায় জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের শেষদিকে পায়নি ক্লাবগুলো। অথচ সুপার লিগের ম্যাচগুলো টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় যেত। অসহনীয় গরমে পুরোদিনের ম্যাচ আয়োজনকে অমানবিক বলেছেন সাকিব আল হাসান।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে সাকিব নিজেও ম্যাচ খেলেছেন ৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রায়। সবশেষ ম্যাচে পেয়েছেন সেঞ্চুরি। যারা টানা ম্যাচ খেলেছেন তাদের কষ্টটা সহজেই অনুভব করতে পেরেছেন। তাইতো এ প্রসঙ্গে নীতি-নির্ধারকদের খেলোয়াড়দের প্রতি সদয় হওয়ার আহবান জানালেন।
জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন শনিবার। ‘রুবেল এক্সপ্রেস’ নামে ইয়ামাহা ব্র্র্যান্ডের মোটরসাইকেল শো-রুম দিয়েছেন। রাজধানীর বারিধারার ১০০ ফিট মাদানি অ্যাভিনিউতে বিশাল জায়গা নিয়ে ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের শো-রুম এবং সঙ্গে সার্ভিস পয়েন্ট দিয়েছেন। সন্ধ্যায় এই শো-রুম উদ্বোধন করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব। সেখানে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ নিয়েও কথা বলেন।
‘সুপারটা লিগটা যদি টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে হতো, এটা আমাদের দেশের ক্রিকেটের জন্যই ভালো হতো। একইসঙ্গে খেলোয়াড়দের দিকটাও যদি কেউ একটু চিন্তা করতো, খুবই ভালো হতো। আমার মনে হয় খুবই অমানবিক এমন একটা পরিবেশে সারাটা দিন ধরে রোদের মধ্যে আমাদেরকে খেলানো। এই জায়গাটায় হয়তো ভালো একটা দায়িত্ব নেয়া যেত। জাতীয় দলও উপকৃত হতো, যেহেতু টি-টুয়েন্টি সংস্করণে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছি।’
‘আমার মনে হয় ভালো একটা প্রস্তুতিও হতো। অল্পদিনেই শেষ হয়ে যেতো লিগ। সব খেলোয়াড়ই ম্যাচগুলো খেলতে পারত। যেকোনো কারণেই হোক করেনি। আমার মনে হয় এই চিন্তাগুলোই আসলে সামনের দিকে আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের আয়োজক ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম)। আয়োজকদের এ বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে সাকিব বলেন, ‘আমি ছিলাম আমেরিকাতে (সুপার লিগের শুরুতে)। যারা ডিসিশন মেকার তারা সিদ্ধান্ত নেবে। আমি যে দিন হবো (ডিসিশন মেকার) সে দিন সিদ্ধান্ত নেবো।’
ঢাকা লিগ শেষ হবে আগামী সোমবার। এদিন তিন ভেন্যুতে মুখোমুখি হবে সুপার লিগের ছয় দল। দারুণ পারফর্ম করে ইতিমধ্যে আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে আবাহনী। দলটির দশ ক্রিকেটার রয়েছেন চট্টগ্রামে জাতীয় দলের অ্যাসাইমেন্টে।









