জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতের করা জরিমানা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
এছাড়াও আদেশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এ মামলার সমস্ত নথি হাইকোর্টে পাঠাতে বিচারিক আদালতকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ
এই আদেশ দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মাদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।
এর আগে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তার জামিন আবেদন শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।
গত মঙ্গলবার বিকালে হাইকোর্টের এই বেঞ্চে খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন উপস্থাপন করা হলে আদালত আপিল গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আর তার ছেলে তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সেই সাথে এদের সবাইকে মোট ২ কোটি ১০ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা জরিমানা করা হয়।
ওইদিন আদালত ৬৩২ পৃষ্ঠার রায় উল্লেখ করে এর সারসংক্ষেপ পড়েন। তবে সোমবার পর্যবেক্ষণসহ রায়ের যে অনুলিপি দেওয়া হয় তা ছিল ১ হাজার ১৭৪ পৃষ্ঠার।
বিচারিক আদালতের রায়ের পর খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এখন তিনি সেখানেই আছেন।









