পার্বত্য এলাকার মাটি ও আবহাওয়া জুম আবাদের সাথে তুলা চাষের উপযোগী হওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ে জুমে তুলা চাষে প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড খাগড়াছড়িসহ তিন পার্বত্য জেলায় গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। তিন জেলার ৫০ হাজার হেক্টর জমিকে আনা হয়েছে তুলা চাষের আওতায়।
বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ডের মহা-পরিবচালক ফরিদ উদ্দিন বলেন, এদের জীবনের প্রধান অবলম্বন এই জুম চাষ। খাদ্য হিসেবে ধান খেয়ে তারা বেঁচে থাকেন। সেই সাথে আয়বর্ধক কোনো চাষ যদি যুক্ত করা যায়। যেমন তুলা চাষ। এখানে দেশি তুলার সাথে উন্নত জাতের তুলা যুক্ত করা হয়েছে।
পার্বত্য তিন জেলার পাহাড়ী টিলা ভূমিতে আগে জুম চাষ হতো সনাতন পদ্ধতিতে। কৃষক নতুন প্রযুক্তিতে ধানের সাথে তুলার বীজ আড়াআড়িভাবে বপন করছেন।
একজন জুমচাষী বলেন, তুলা উন্নয়ন বোর্ড থেকে বীজ দিয়েছে আমি বপন করেছি। এর ভেতরে আবার মুলা, লাল শাক ও ভেন্ডি দিয়েছি। আমরা তুলার জন্য এখন সার ও ওষুধ পাই। আগের চেয় ফসল ভালো হচ্ছে।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট ও কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞানীরা খাগড়াছড়ির বিভিন্ন স্থানে তুলা চাষের বিভিন্ন প্লট পরিদর্শন করেছেন।






